বালৃুরপাড় রিয়েল এস্টেট (ব্লগ)

জমি সংক্রান্ত আইন ও সমস্যর সমাধান এখানেই

রেজিস্ট্রিকারী অফিসারের কর্তব্য ও ক্ষমতা সম্পর্কিত(পর্ব এক)

রেজিস্ট্রিকারী অফিসারের কর্তব্য ও ক্ষমতা সম্পর্কিত
    ক. রেজিস্ট্রার বহি এবং উহার সূচি সম্পর্কিত
ধারা-৫১ (বিভিন্ন অফিসে রেজিস্ট্রার বহি রাখিথে হইবে)
উপধারা-(১) নিম্নলিখিত বহিসমূহ বিভিন্ন অফিসে রাখিতে হইবে
    (ক) সকল রেজিস্ট্রি অফিসে-
    ১ নং বহি : ”উইল ছাড়া স্থাবর সম্পত্তির দলিলপত্রের রেজিস্ট্রার”
    ২ নং বহি : ”রেজিস্ট্রি করিতে অসম্মতির কারণ সম্পর্কিত রেকর্ড”
    ৩ নং বহি : ”উইল এবং পোষ্যপুত্র গ্রহণ করিবার ক্ষমতাপত্রের রেজিস্ট্রার”
এবং
    ৪ নং বহি : ”বিবিধ রেজিস্ট্রার”
    (খ) রেজিস্ট্রারের অফিসে-
    ৫ নং বহি ”উইল জমা লওয়ার রেজিস্ট্রার”

আপনিকি ঢাকায় প্লট/ফ্ল্যাট/জমি ক্রয়ের কথা ভাবছেন? আপনার পছন্দের প্লট/ফ্ল্যাট/জমিটি আমাদের কাছেই আছে।

উপধারা-(২) উইল ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দলিলপত্রাদি যাহা ১৭, ১৮ এবং ৮৯ ধারামতে রেজিস্ট্রি হইবে, তাহা ১নং বহিতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে না উহার স্মারকলিপ নথিবদ্ধ করিতে হইবে ।


উপধারা-(৩) স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত নহে এইরূপ দলিলপত্রাদি যাহা ১৮ ধারামতে রেজিস্ট্রি করিতে হইবে তাহা ৪নং বহিতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে ।
উপধারা-(৪) কোনো রেজিস্ট্রারের অফিস কোনো সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসের সহিত একত্র হইলে এই ধারার কোনো বিধানমতে এক প্রস্থের অধিক কোনো বহির প্রয়োজন হইবে না ।
উপধারা-(৫) রেজিস্ট্রার যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করেন যে, (১) উপধারায় বর্ণিত রেজিস্ট্রার বহিগুলির মধ্যে কোনটি ধ্বংস হইবার অথবা তাহা সম্পূর্ণ বা আংশিক অস্পষ্ট হইবার আশংকা দেখা দিয়াছে, তবে রেজিস্ট্রার একটি লিখিত আদেশ দ্বারা এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারিবেন যে,
    উক্ত বহি বা উহার যে অংশ তিনি প্রয়োজন মনে করিবেন তাহা যথাবিহিত পদ্ধতিতে পুনরায় নকল করিয়া তাহা সত্যায়িত করিয়া রাখা হউক । উক্ত রূপ নির্দেশের বলে যেই নকল প্রস্তুত ও সত্যায়িত করা হইবে তাহা ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১নং আইন) অনুসারে মূল বহি বা উহার অংশরূপে বিবেচিত হইবে । এবং আইনে উক্ত বহি বা উহার অংশের যেই উল্লেখ করা হইবে তদ্বারা উক্তরুপে পুনঃ নকলকৃত ও সত্যায়িত বহি বা উহার অংশকে বুঝাইবে ।
ধারা-৫২ (দলিল দাখিল করা হইলে রেজিস্ট্রিকারী অফিসারের কর্তব্য)
    উপধারা-(১) (ক) দলিল দাখিল করিবার সময়ে দাখিলের তারিখ, সময় ও স্থান এবং দলিল রেজিস্ট্রির জন্য দাখিলকারী প্রত্যেকের সহি প্রত্যেক দলিলের উপর দিতে হইবে৷
    (খ) রেজিস্ট্রিকারী অফিসার উক্ত দলিল প্রাপ্তির একটি রসিদ দলিল দাখিলকারী ব্যক্তিকে প্রদান করিবেন।
    (গ) ৬২ ধারার বিধিন সাপেক্ষে দলিল গ্রহণের ক্রমানুসারে রেজিস্ট্রিকরণের জন্য গৃহীত দলিলের নকল অকারণে দেরী না করিয়া নির্দিষ্ট বহিতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে ।
    উপধারা-(২) এইরূপ সকল বহি ইন্সপেক্টর জেনারেল কতৃ॔ক সময়ে সময়ে নিধা॔রিত সময় পর পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে সহি-মোহর করিতে হইবে ।
ধারা-৫২ক (বিক্রয় দলিলে কতিপয় তথ্য সন্নিবেশিত না হইলে রেজিস্টারিং কর্মকর্তা উহা রেজিস্ট্রি করিবেন না )
    কোনো বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করা হইলে রেজিস্টারিং কর্মকর্তা উহা রেজিস্ট্রি করিবেন না যদি নিম্ন বর্র্ণিত তথ্য সমূহ দলিলে অন্তর্ভুক্ত এবং দলিলের সংগে সংযুক্তি আকারে দাখিল করা না হয়, যেমন;
    (ক) উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে সম্পত্তির মালিক হইয়া থাকিলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তাহার নিজ নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
    (খ) উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হইয়া থাকিলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তাহার নিজ নামে অথবা পূর্ববর্তী নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
    (গ) সম্পত্তির প্রকৃতি;
    (ঘ) সম্পত্তির মূল্য;
    (ঙ) পরিসীমা ও দিক উল্লেখ সম্পত্তির হাত নকশা;
    (চ) সম্পত্তিতে মালিকানা সম্পর্কিত বিগত ২৫ বছরের ধারাবাহিক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং
    (ছ) তফশিল বর্ণিত সম্পত্তি ইতিপূর্বে হস্তান্তর করা হয় নাই এবং উহাতে তাহার বৈধ স্বত্ব বহাল আছে মর্মে দাতা কতৃর্ক হলফ নামা । ২০০৪ সনের ২৫ নং আইন দ্বারা সংষোধিত ।
তথ্যসুত্র : রেজিস্ট্রেশন অাইনের ভাষ্য , লেখক- গাজী শামসুর রহমান।
Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published.