বালৃুরপাড় রিয়েল এস্টেট (ব্লগ)

জমি সংক্রান্ত আইন ও সমস্যর সমাধান এখানেই

সালিস আইন, ২০০১ ( ২০০১ সনের ১ নং আইন ) পর্ব এক

     আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিস বিদেশী সালিসী রোয়েদাদ স্বীকৃতি বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য সালিস সম্পর্কিত বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিস, বিদেশী সালিসী রোয়েদাদ স্বীকৃতি ও বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য সালিস সম্পর্কিত বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:

পরিচ্ছেদ ১
প্রারম্ভিক
সংক্ষিপ্ত শিরোনামা প্রয়োগ প্রবর্তন

১। (১) এই আইন সালিস আইন, ২০০১ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেই তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে।

পরিচ্ছেদ ২
সাধারণ বিধানাবলী সংজ্ঞা
২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(ক) “আইনানুগ প্রতিনিধি” অর্থ কোন ব্যক্তি যিনি আইনানুগভাবে কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করেন উক্ত ব্যক্তি; এবং যিনি কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনার সহিত সম্পৃক্ত থাকেন, এবং যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রতিনিধিত্বশীল বৈশিষ্ট্যে কার্য সম্পাদন করেন সেই ক্ষেত্রে উক্ত পক্ষের মৃত্যু হইলে যেই ব্যক্তির উপর উক্ত সম্পত্তি বর্তায় উক্ত ব্যক্তিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন;

(খ) “আদালত” অর্থ জেলাজজ আদালত, এবং সরকার কর্তৃক, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন জেলাজজ আদালতের কার্য সম্পাদনের জন্য নিযুক্ত অতিরিক্ত জেলাজজ আদালতও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(গ) “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিস” অর্থ সুষ্পষ্টভাবে বিধৃত চুক্তিগত বা চুক্তি বহির্ভূত আইনানুগ সম্পর্ক হইতে উদ্ভূত বিরোধ সম্পর্কিত কোন সালিস যাহা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক বিরোধ হিসাবে বিবেচিত হয় এবং যেক্ষেত্রে পক্ষগণের মধ্যে কোন একটি পক্ষ-

(অ) একজন ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিক, কিংবা ঐ দেশের স্বাভাবিক বাসিন্দা হয়; অথবা

(আ) বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রে নিগমবন্ধ সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হয়; অথবা

(ই) কোম্পানী বা সঙ্ঘ বা ব্যক্তি সমন্বিত প্রতিষ্ঠান যাহার কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন দেশে প্রয়োগ হয়; অথবা

(ঈ) কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সরকার হয়;

(ঘ) “তামাদি আইন” অর্থ Limitation Act, 1908 (IX of 1908);

(ঙ) “দেওয়ানী কার্যবিধি” অর্থ Code of Civil procedure, 1908 (Act V of 1908);

(চ) “নির্দিষ্ট রাষ্ট্র” অর্থ ধারা ৪৭ এর অধীন সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন নির্দিষ্ট রাষ্ট্র;

(ছ) “পক্ষ” অর্থ সালিস চুক্তির কোন পক্ষ;

(জ) “প্রধান বিচারপতি” অর্থ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি;

(ঝ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি;

(ঞ) “ব্যক্তি” অর্থে সংবিধিবদ্ধ বা অন্যবিধ সংস্থা, কোম্পানী, সমিতি এবং অংশীদারী কারবারও (Partnership Firm) অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(ট) “বিদেশী সালিসী রোয়েদাদ” অর্থ এমন কোন সালিসী রোয়েদাদ যাহা কোন সালিস চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে প্রদত্ত হয়,

তবে কোন নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে প্রদত্ত কোন সালিসী রোয়েদাদ ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;

(ঠ) “সাক্ষ্য আইন” অর্থ Evidence Act, 1872 (Act I of 1872);

(ড) “সালিস” অর্থ কোন সালিস যাহা স্থায়ী কোন সালিসী সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হউক বা না হউক;

(ঢ) “সালিস চুক্তি” অর্থ সুষ্পষ্টভাবে বিধৃত চুক্তিগত বা চুক্তিবহির্ভূতভাবে পারস্পরিক সম্মতিক্রমে আইনানুগ সম্পর্ক হইতে উদ্ভূত কিংবা উদ্ভব হইতে পারে এইরূপ সকল বা যে কোন বিষয়ের বিরোধ সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার জন্য উক্ত আইনানুগ সম্পর্কের পক্ষগণ কর্তৃক সালিসে প্রেরণ করা সম্পর্কিত চুক্তি;

(ণ) “সালিসী ট্রাইব্যুনাল” অর্থ একমাত্র সালিসকারী বা সালিসকারীদের প্যানেল;

(ত) “সালিসী রোয়েদাদ” অর্থ বিরোধের বিষয়বস্তুর উপর সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত;

(থ) “হাইকোর্ট বিভাগ” অর্থ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।

পরিধি
৩। (১) কোন সালিসের স্থান বাংলাদেশ হইলে উক্ত সালিসের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন সালিসের স্থান বাংলাদেশের বাহিরে হইলে এই আইনের ধারা ৪৫, ৪৬ ও ৪৭ এর বিধানাবলী উক্ত সালিসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

(৩) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের অধীন কোন বিরোধ সালিসে প্রেরণের সুযোগ না থাকিলে সেই সকল আইনের কোন কিছুই এই আইন দ্বারা ক্ষুণ্ন হইবে না।

(৪) এই আইন কার্যকর হইবার পূর্বে বা পরে কোন সালিস চুক্তি সম্পাদিত হইয়া থাকিলে উক্ত সালিস চুক্তি হইতে উদ্ভূত কোন বিরোধের বিষয়ে বাংলাদেশে সূচিত সালিস কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

বরাতের ব্যাখ্যা
৪। (১) কোন নির্দিষ্ট বিষয় নির্ধারণের জন্য যেইক্ষেত্রে এই আইনে পক্ষগণের স্বাধীনতা রহিয়াছে সেইক্ষেত্রে, ধারা ৩৬ এ বর্ণিত বিষয় ব্যতীত, পক্ষগণ কর্তৃক অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত নির্দিষ্ট বিষয় নির্ধারণের ক্ষমতার্পণও উক্তরূপ স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(২) যেইক্ষেত্রে এই আইনে-

(ক) পক্ষগণ কোন বিষয়ে সম্মত হন বা হইতে পারেন মর্মে কোন চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়; অথবা

(খ) পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোনভাবে কোন চুক্তির উল্লেখ করা হয়-

সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চুক্তিতে উল্লেখিত কোন সালিস বিধিও উক্ত চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কোন দাবী উত্থাপন করা হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত দাবীর পাল্টা দাবী, দাবীর জবাব ও পাল্টা জবাবের ক্ষেত্রেও এই আইনের ধারা ৩৫ এর উপ-ধারা (৩) এর দফা (ক) বা ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) ব্যতীত অন্যান্য বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

লিখিত যোগাযোগের প্রাপ্তি

৫। (১) পক্ষগণ ভিন্নভাবে সম্মত না হইলে, এই আইনের অধীন কোন লিখিত যোগাযোগ, নোটিশ বা সমন কোন পক্ষ বা ব্যক্তির উপর জারী করার প্রয়োজন হইলে এবং জারীর বিষয়ে পক্ষগণ ভিন্নভাবে সম্মত না হইলে, উক্ত লিখিত যোগাযোগ, নোটিশ বা সমন সেই পক্ষ বা ব্যক্তির উপর জারী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি-

(ক) উহা তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে বা তাহার ব্যবসায়িক ঠিকানা বা তাহার স্বাভাবিক

বাসস্থান বা অন্য কোন ভাবে তাহার চিঠির ঠিকানায় সরবরাহ করা হইয়া থাকে; এবং

(খ) দফা (ক) তে উল্লিখিত কোন জায়গায় স্বাভাবিক অনুসন্ধানের পরও তাহাকে না পাওয়া যায় তাহা হইলে তাহার শেষ জানা ব্যবসায়িক, বাসস্থান বা চিঠির ঠিকানায় রেজিষ্ট্রিকৃত ডাকযোগে বা অন্য কোন পদ্ধতিতে প্রেরিত হয় এবং উহাতে উক্তরূপে প্রেরণের প্রমাণ লিপিবদ্ধ থাকে।

(২) যোগাযোগ, নোটিশ বা সমন যেই তারিখে, ক্ষেত্রমত, সরবরাহ বা প্রেরণ করা হইবে সেই তারিখে প্রাপ্ত হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে।

(৩) কোন বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কার্যধারা সম্পর্কিত যোগাযোগ, নোটিশ বা, ক্ষেত্রমত, সমনের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য হইবে না।

৬। কোন পক্ষ-

(ক) পক্ষগণ ব্যত্যয় ঘটাইতে পারে এই আইনের এমন কোন বিধান প্রতিপালিত হয় নাই; বা

(খ) সালিস চুক্তির অধীন কোন আবশ্যকতা প্রতিপালিত হয় নাই-

এমর্মে অবগত থাকিয়া উক্ত পক্ষ যদি অযৌক্তিক বিলম্ব ব্যতীত বা তদবিষয়ে কোন সময়সীমা থাকিলে অনুরূপ সময়সীমার মধ্যে আপত্তি না করিয়া সালিসে অগ্রসর হয়, তাহা হইলে উক্ত পক্ষ আপত্তির অধিকার পরিত্যাগ করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

সালিস চুক্তির আওতাভুক্ত বিষয়ে আদালতের এখতিয়ার
৭। সালিস চুক্তির কোন পক্ষ অপর কোন পক্ষের বিরুদ্ধে উক্ত চুক্তির অধীনে সালিসে অর্পণে সম্মত কোন বিষয়ে আইনগত কার্যধারা রুজু করিলে, বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে যাহাই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধান ব্যতীত অন্য কোন আইনগত কার্যধারার শুনানীর এখতিয়ার আদালতের থাকিবে না।
আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদানের ক্ষমতা

[ ৭ক। (১) ধারা ৭ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পক্ষগণ ভিন্নভাবে সম্মত না হইলে, কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে সালিসী কার্যধারা চলাকালীন কিংবা তৎপূর্বে অথবা ধারা ৪৪ বা ৪৫ এর অধীন সালিসী রোয়েদাদ কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিসের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এবং অন্যান্য সালিসের ক্ষেত্রে আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয়ে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, যথা:-

(ক) নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির পক্ষে সালিসী কার্যধারা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিয়োগ;

(খ) সালিসী চুক্তির অন্তর্ভুক্ত কোন বিষয়বস্তু হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কোন মালামাল বা সম্পত্তির অন্তর্বর্তীকালীন হেফাজত বা বিক্রয় বা অন্য কোন সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ;

(গ) কোন পক্ষ কর্তৃক সালিসী রোয়েদাদ কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর কিংবা স্থানান্তরের উপর নিষেধাজ্ঞা;

(ঘ) সালিসী কার্যধারার অন্তর্ভুক্ত কোন বিষয়বস্তু হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কোন মালামাল বা সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন, চিত্রায়ন, ফটোসংগ্রহ, হেফাজতকরণ, তথ্য ও নমুনা সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ বা সাক্ষ্য গ্রহণ করিবার জন্য এবং তদুদ্দেশ্যে কোন পক্ষের দখলকৃত ভূমি বা ইমারতে প্রবেশের জন্য যে কোন ব্যক্তিকে ক্ষমতা অর্পণ;

(ঙ) অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা;

(চ) রিসিভার নিয়োগ; এবং

(ছ) আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যুক্তিসংঙ্গত বা যথাযথ প্রতীয়মান হয় এইরূপ অন্য যে কোন অন্তর্বর্তীকালীন সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ।

(২) কোন আইনগত কার্যধারার বিষয়ে আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগের যেইরূপ ক্ষমতা রহিয়াছে উপ-ধারা (১) এর অধীন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রেও আদালত বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগের সেইরূপ ক্ষমতা থাকিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন সম্পর্কে আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদেশ প্রদানের পূর্বে অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন বিষয়ে তাৎক্ষণিক আদেশ প্রদান করা না হইলে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত উদ্দেশ্য ব্যর্থ হইবে, তাহা হইলে উক্তরূপ নোটিশ প্রদানের প্রয়োজন হইবে না।

(৪) আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন বিষয়ে উপ-ধারা (১) এর অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা সালিসী ট্রাইব্যুনালের নাই অথবা ট্রাইব্যুনাল ধারা ২১ এর অধীন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আদেশ প্রদানে ব্যর্থ হইয়াছে, তাহা হইলে আদালত বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ, এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ আদালত বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ, যথার্থ মনে করিলে বাতিল, পরিবর্তন বা সংশোধন করিতে পারিবে।

(৬) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশসংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন সালিসী ট্রাইব্যুনাল কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিষয়ে কোন আদেশ প্রদান করা হইলে, সেই বিষয়ে আদালত বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ সম্পূর্ণ কিংবা ক্ষেত্রমত উক্ত আদেশের সংশ্লিষ্ট অংশ বিশেষ অকার্যকর হইবে।]

প্রশাসনিক সহায়তা
৮। সালিসী কার্যধারা পরিচালনা সহজতর করার লক্ষ্যে পক্ষগণ বা, পক্ষগণের সম্মতিক্রমে, সালিসী ট্রাইব্যুনাল কোন উপযুক্ত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রশাসনিক সহায়তা গ্রহণ করিতে পারিবে।


Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published.