বালৃুরপাড় রিয়েল এস্টেট (ব্লগ)

জমি সংক্রান্ত আইন ও সমস্যর সমাধান এখানেই

ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ ( ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন )অষ্টম খন্ড বিবিধ

ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ ( ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন )অষ্টম খন্ড বিবিধ

19 August, 2018

অষ্টম খন্ড বিবিধ

নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে সরকারের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১০১। কোন ব্যাংক-কোম্পানীর হিসাবের খাতা, পরিশোধিত দাবী-সম্বলিত দলিল এবং অন্যান্য দলিলাদি কত দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে সেই বিষয়ে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
পরিশোধিত দাবী সম্বলিত দলিল গ্রাহকের নিকট ফেরত প্রদান
১০২৷ (১) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কোন গ্রাহকের পরিশোধিত দাবী-সম্বলিত দলিল, ধারা ১০১ এর অধীন প্রণীত বিধিতে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত্ম হওয়ার পূর্বে, ফেরত দিবার জন্য উক্ত গ্রাহক অনুরোধ করিলে, উক্ত কোম্পানী এমন যান্ত্রিক বা অন্য কোন পদ্ধতির মাধ্যমে উক্ত দলিলের সকল অংশের একটি সঠিক অনুলিপি উহার নিকট সংরক্ষণ করিবে যে পদ্ধতি উক্ত অনুলিপির সঠিকতা নিশ্চিত করে৷

(২) ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুলিপি তৈরীর খরচ গ্রাহকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে৷

ব্যাখ্যা৷- এই ধারায় গ্রাহক বলিতে কোন সরকারী অফিস বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকেও বুঝাইবে৷
আমানতী অর্থ পরিশোধের জন্য মনোনয়ন দান
১০৩৷ (১) ব্যাংক-কোম্পানীর নিকট রক্ষিত কোন আমানত যদি একক ব্যক্তি বা যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তির নামে জমা থাকে, তাহা হইলে উক্ত একক আমানতকারী এককভাবে বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ আমানতকারীগণ যৌথভাবে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এমন ২৮২[ একজন বা একাধিক] ব্যক্তিকে মনোনীত করিতে পারিবেন ২৮৩[ যাহাকে বা যাহাদিগকে], একক আমানতকারী বা যৌথ আমানতকারীগণের সকলের মৃত্যুর পর, আমানতের টাকা প্রদান করা যাইতে পারে :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত একক আমানতকারী বা যৌথ আমানতকারীগণ যে কোন সময় উক্ত মনোনয়ন বাতিল করিয়া নির্ধারিত পদ্ধতিতে ২৮৪[ অন্য কোন ব্যক্তিকে বা ব্যক্তিবর্গকে] মনোনীত করিতে পারিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে ২৮৫[ মনোনীত কোন ব্যক্তি] নাবালক হইলে, তাঁহার নাবালক থাকা অবস্থায় উক্ত একক আমানতকারীর বা যৌথ আমানতকারীগণের মৃত্যুর ক্ষেত্রে, আমানতের টাকা কে গ্রহণ করিবেন তত্সম্পর্কে উক্ত একক আমানতকারী বা যৌথ আমানতকারীগণ নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট করিতে পারিবেন৷

(৩) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনের বা কোন উইলে বা সম্পত্তি বিলি বণ্টনের ব্যবস্থা সম্বলিত অন্য কোন প্রকার দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন ব্যক্তিকে মনোনীত করা হইলে বা উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট হইলে তিনি একক আমানতকারী বা ত্মেগত্রমত যৌথ আমানতকারীগণের সকলের মৃত্যুর পর, উক্ত আমানতের ব্যাপারে একক আমানতকারীর বা, ক্ষেত্রমত, সকল আমানতকারীর যাবতীয় অধিকার লাভ করিবেন, এবং অন্য যে কোন ব্যক্তি উক্ত অধিকার হইতে বঞ্চিত হইবেন৷

(৪) এই ধারার বিধান অনুযায়ী কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক টাকা পরিশোধিত হইলে সংশ্লিষ্ট আমানত সম্পর্কিত উহার যাবতীয় দায় পরিশোধ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তিকে এই ধারার অধীনে আমানতের টাকা পরিশোধ করা হইয়াছে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্য কোন ব্যক্তির কোন অধিকার বা দাবী থাকিলে তাহা এই উপ-ধারার বিধান ক্ষুন্ন করিবে না৷

আমানত সম্পর্কে অন্য কোন ব্যক্তির দাবী অগ্রহণযোগ্য
১০৪৷ কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিকট যে ব্যক্তির নামের কোন আমানত রত্মিগত থাকে সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট হইতে উক্ত আমানতের উপর কোন দাবী সম্বলিত কোন নোটিশ উক্ত কোম্পানী কর্তৃক গ্রহণযোগ্য হইবে না, বা উক্তরূপ কোন নোটিশ অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে উক্ত কোম্পানী বাধ্য থাকিবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার কোন কিছুই উক্ত আমানতের ব্যাপারে যথাযথ এখ্‌তিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতের কর্তৃত্ব ত্মগুণ্ন করিবে না; এবং এইরূপ আদালতের কোন ডিক্রী, আদেশ, সার্টিফিকেট বা অনুরূপ অন্য কোন প্রকার দলিল দাখিল করা হইলে, উক্ত কোম্পানী উহাকে যথাযথ গুরম্্নত্ব দিবে৷

ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ জিম্মায় রক্ষিত সামগ্রী ফেরত্ প্রদানের জন্য মনোনয়ন
১০৫৷ (১) কোন ব্যক্তি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ জিম্মায় কোন সামগ্রী আমানত রাখিলে উক্ত সামগ্রী উক্ত আমানতে থাকা অবস্থায় তাঁহার মৃত্যুর পর উহা গ্রহণ করার জন্য তিনি কোন ব্যক্তিকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, মনোনীত করিতে পারিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, আমানতকারী যে কোন সময় উক্ত মনোনয়ন বাতিল করিয়া নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অন্য কোন ব্যক্তিকে মনোনীত করিতে পারিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন মনোনীত ব্যক্তি নাবালক হইলে তাঁহার নাবালক থাকা অবস্থায় আমানতকারীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে উক্ত ২৮৬[ সামগ্রী কে] গ্রহণ করিবেন তত্সম্পর্কে তিনি, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্দেশ করিতে পারিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীন মনোনীত বা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে আমানতী সামগ্রী ফেরত প্রদানের পূর্বে, আমানত গ্রহীতা ব্যাংক-কোম্পানী, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্দেশিত পদ্ধতিতে, উক্ত সামগ্রীর একটি বর্ণনামূলক তালিকা প্রস্তুত করিয়া উহাতে উক্ত ব্যক্তির স্বাত্মগর গ্রহণ করিবে এবং উহার অনুলিপি উক্ত ব্যক্তিকে সরবরাহ করিবে৷

(৪) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইন বা কোন উইলে বা সম্পত্তি বিলি বণ্টনের ব্যবস্থা সম্বলিত অন্য কোন প্রকার দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন ব্যক্তিকে মনোনীত করা হইলে বা উপ-ধারা (২) এর অধীনে কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট হইলে তিনি আমানতকারীর মৃত্যুর পর, উক্ত আমানতের ব্যাপারে আমানতকারীর যাবতীয় অধিকার লাভ করিবেন এবং অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত অধিকার হইতে বঞ্চিত হইবেন৷

(৫) এই ধারার বিধান অনুযায়ী কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক উহার নিরাপদ জিম্মায় রত্মিগত সামগ্রী ফেরত্ প্রদান করা হইলে উক্ত কোম্পানী সংশ্লিষ্ট আমানত সম্পর্কিত উহার যাবতীয় দায় পরিশোধ করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তিকে এই ধারার অধীনে কোন সামগ্রী ফেরত্ দেওয়া হইয়াছে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্য কোন ব্যক্তির কোন অধিকার বা দাবী থাকিলে তাহা, এই উপ-ধারার কোন বিধান ক্ষুন্ন করিবে না৷

জিম্মায় রক্ষিত কোন সামগ্রী সম্পর্কে অন্য কোন ব্যক্তির দাবী অগ্রহণযোগ্য
১০৬৷ কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ জিম্মায় যে ব্যক্তির নামে কোন সামগ্রী রত্মিগত থাকে, সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাহারোও নিকট হইতে উক্ত সামগ্রীর উপর দাবী সম্বলিত কোন নোটিশ উক্ত কোম্পানী কর্তৃক গ্রহণযোগ্য হইবে না, বা অনুরূপ কোন নোটিশ অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে উক্ত কোম্পানী বাধ্য থাকিবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার কোন কিছুই উক্ত সামগ্রীর ব্যাপারে যথাযথ এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতের কর্তৃত্ব ত্মগুণ্ন করিবে না; এবং এইরূপ আদালতের কোন ডিক্রী, আদেশ, সার্টিফিকেট বা অনুরূপ অন্য কোন প্রকার দলিল দাখিল করা হইলে উক্ত কোম্পানী উহাকে যথাযথ গুরম্্নত্ব দিবে৷

নিরাপদ লকারে রক্ষিত সামগ্রী ফেরত্ প্রদান
১০৭৷ (১) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ ভল্ট বা অন্য কোথাও রত্মিগত কোন লকার যদি কোন ব্যক্তি এককভাবে ভাড়া করেন, তাহা হইলে তাঁহার মৃত্যুর ত্মেগত্রে উক্ত লকার ভাড়া থাকা অবস্থায় তাঁহার মৃত্যুর পর, তত্কর্তৃক পূর্ব-মনোনীত কোন ব্যক্তিকে উক্ত-কোম্পানী লকার খুলিতে এবং উহা হইতে বন্ড ফেরত্ নিতে দিবেন৷

(২) যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর লকার ভাড়া করেন এবং ভাড়ার চুক্তিতে উক্ত ভাড়াকারীগণের মধ্যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির যুগ্ম স্বাত্মগরে লকারের কাজ সম্পাদন করার বিধান থাকে, তাহা হইলে, যে ভাড়াকারীগণের স্বাত্মগরে লকারের কাজ সম্পাদনের বিধান থাকে তাঁহারা, উক্ত যুগ্ম ভাড়াকারীগণের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর ত্মেগত্রে, অন্যান্য জীবিত ভাড়াকারীগণের সহিত, মৃত ব্যক্তিগণের পত্মেগ অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত লকার খুলিবার জন্য এবং উহাতে রত্মিগত সামগ্রী ফেরত লইবার জন্য উক্ত কোম্পানী সুযোগ দিবে সেই বিষয়ে, এক বা একাধিক ব্যক্তিকে মনোনীত করিতে পারেন৷

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন মনোনয়ন নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রদান করিতে হইবে৷

(৪) কোন মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা, ক্ষেত্রমত, যুগ্মভাবে মনোনীত ব্যক্তি এবং উক্ত জীবিত ভাড়াকারীকে লকারে রক্ষিত সামগ্রী ফেরত প্রদানের পূর্বে, ব্যাংক-কোম্পানী, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্দেশিত পদ্ধতিতে, লকারে রক্ষিত সামগ্রীর একটি বর্ণনামূলক তালিকা তৈরী করিয়া উক্ত ব্যক্তিগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবে, এবং উহার একটি অনুলিপি উক্ত ব্যক্তিগণকে সরবরাহ করিবে৷

(৫) এই ধারার বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক উহার নিরাপদ লকারে রক্ষিত সামগ্রী ফেরত প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট রক্ষিত সামগ্রী সম্পর্কিত উহার যাবতীয় দায় পরিশোধ করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তিকে এই ধারার অধীন কোন সামগ্রী ফেরত দেওয়া হইয়াছে সেই ব্যক্তির বিরম্্নদ্ধে অন্য কোন ব্যক্তির কোন অধিকার বা দাবী থাকিলে তাহা এই উপ-ধারার কোন বিধান ক্ষুন্ন করিবে না৷

(৬) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুযায়ী লকার খুলিতে এবং উহাতে রক্ষিত সামগ্রী ফেরত লইতে অনুমতি প্রদানের কারণে উক্ত সামগ্রীর যদি কোন ক্ষতি হইয়া থাকে বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহা হইলে ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে কোন মামলা, অভিযোগ বা অন্য কোন প্রকার আইনানুগ কার্যধারা দায়ের বা শুরু করা যাইবে না৷
নিরাপদ লকারে রক্ষিত সামগ্রী সম্পর্কে অন্য কোন ব্যক্তির দাবী অগ্রহণযোগ্য
১০৮৷ কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ লকারে যে ব্যক্তির কোন সামগ্রী রত্মিগত থাকে সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হইতে উক্ত সামগ্রীর উপর কোন দাবী সম্বলিত কোন নোটিশ উক্ত কোম্পানী কর্তৃক গ্রহণযোগ্য হইবে না; এবং অনুরূপ কোন নোটিশ অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে উক্ত কোম্পানী বাধ্য থাকিবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন কিছুই, উক্ত সামগ্রীর ব্যাপারে যথাযথ এখ্‌তিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতের কর্তৃত্ব ক্ষুন্ন করিবে না এবং এইরূপ আদালতের কোন ডিক্রী, আদেশ, সার্টিফিকেট বা অনুরূপ অন্য কোন প্রকার দলিল দাখিল করা হইলে, উক্ত কোম্পানী উহাকে যথাযথ গুরুত্ব দিবে৷

২৮৭[ * * *]
দণ্ড
১০৯। (১) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন লাইসেন্স প্রাপ্ত না হইয়া ব্যাংক ব্যবসা করেন বা ব্যাংক ব্যবসা করার জন্য প্রাপ্ত লাইসেন্স বাতিল হইয়া যাওয়ার পরেও ব্যাংক ব্যবসা করেন, তাহা হইলে তিনি ২৮৮[ অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদন্ডে এবং অন্যূন দুই লক্ষ টাকা এবং অনধিক বিশ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয়] হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধানের প্রয়োজন মোতাবেক বা উহার অধীন বা উহার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে তলবকৃত বা দাখিলকৃত কোন বিবরণ, প্রতিবেদন, ব্যালেন্স শীট বা অন্যান্য দলিল বা কোন তথ্যে, ইচ্ছাকৃতভাবে এবং তাঁহার জ্ঞাতসারে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করেন, অথবা, ইচ্ছাকৃতভাবে এবং তাঁহার জ্ঞাতসারে, অনুরূপ বিষয়ে তথ্য বা কোন বিবৃতি প্রদান না করেন, তাহা হইলে তিনি ২৮৯[ অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের কারাদন্ডে এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয়] হইবেন।

(৩) ধারা ২৭ (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া কোন ব্যাংক-কোম্পানী অগ্রিম প্রদান করিলে, উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা উক্ত ২৯০[ ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোনরূপ আর্থিক সুবিধা] প্রদানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাহাদের প্রত্যেকে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং ২৯১[ অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের কারাদন্ডে অথবা অন্যূন এক লক্ষ টাকা এবং অনধিক দশ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ডে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয়] হইবেন।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৪৪ (২) এর অধীনে কোন বহি, হিসাব-নিকাশ, বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে, অথবা কোন বিবরণ বা তথ্য সরবরাহ করিতে, অথবা ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত বা পরীক্ষার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার কোন প্রশ্নের জবাব দিতে অসম্মত হন, তাহা হইলে তিনি এই অসম্মতির জন্য ২৯২[ অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন, এবং যদি উক্ত অসম্মতি অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত অসম্মতির প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত ২৯৩[ অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন।

(৫) ধারা ৪৪ (৫) (ক) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ লঙ্ঘন করিয়া কোন ব্যাংক-কোম্পানী কোন আমানত গ্রহণ করিলে, উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা উক্ত গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাঁহাদের প্রত্যেকে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি উক্ত জামানতের অনধিক দ্বিগুণ পরিমাণ ২৯৪[ জরিমানা আরোপিত] হইবেন।

(৬) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৭৭ (৭) এর অধীন মঞ্জুরীকৃত কোন স্কীমের শর্ত বা কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে তিনি ২৯৫[ অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন এবং যদি এই ব্যর্থতা অব্যাহত থাকে তাহা হইলে উক্ত ব্যর্থতার প্রথম দিনের পর প্রতি দিনের জন্য অতিরিক্ত ২৯৬[ অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন।

(৭) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অন্য কোন বিধান লঙ্ঘন করেন, বা তদধীন প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত কোন শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত লঙ্ঘনের জন্য ২৯৭[ অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন, এবং যদি উক্ত লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লঙ্ঘনের প্রথম দিনের পর প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ২৯৮[ অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত] হইবেন।

(৮) এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি, অথবা তদধীন কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি বা তদধীন মঞ্জুরীকৃত কোন স্কীমের শর্ত বা কর্তব্য পালনে ব্যর্থ কোন ব্যক্তি যদি কোন ২৯৯[ কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান] হয়, তাহা হইলে এইরূপ লঙ্ঘন বা ব্যর্থতা সংঘটিত হওয়ার সময় যে সকল ব্যক্তি উক্ত ৩০০[ কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের] পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা ছিলেন বা উক্ত ৩০১[ কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের] কাজকর্ম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তজ্জন্য উহার নিকট কৈফিয়ত দিতে বাধ্য ছিলেন তাঁহাদের প্রত্যেক ব্যক্তি ও উক্ত লঙ্ঘন বা ব্যর্থতার জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে, এইরূপ লঙ্ঘন বা ব্যর্থতা তাঁহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে বা উহা প্রতিরোধ করিবার জন্য তিনি যথাযথ সতকর্তা অবলম্বন করিয়াছিলেন তাহা হইলে তিনি উক্তরূপ দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন না।

৩০২[ ৩০৩[ (৯) উপ-ধারা (৩), (৪), (৫), (৬), (৭) এবং ধারা ২৮ এর উপ-ধারা (১) ও ধারা ৫৭ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে কেহ দণ্ডনীয় অপরাধ করিলে তাঁহার বিরুদ্ধে মামলা না করিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক ৩০৪[ তাহাকে কেন আর্থিক জরিমানা] করিবে না সে সম্পর্কে কারণ দর্শাইতে সুযোগ দিতে পারিবে এবং তাঁহার ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হইলে বা তিনি কোন ব্যাখ্যা প্রদান না

করিলে বাংলাদেশ ব্যাংক তাঁহাকে উপরিউক্ত উপ-ধারাসমূহে এবং ধারা ২৮ এর উপ-ধারা (২) ও ধারা ৫৭ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত ৩০৫[ যে কোন অংকের আর্থিক জরিমানা] করিতে পারিবে।]

(১০) উপ-ধারা (৯) এর অধীন ৩০৬[ জরিমানা] আরোপ করার ১৪ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উহা পরিশোধ করিলে তাঁহার বিরুদ্ধে উক্ত উপ-ধারায় উলি্লখিত উপ-ধারাগুলির অধীন তৎকতর্ৃক কৃত অপরাধের জন্য আর কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে না; কিন্তু যদি তিনি উক্তরূপ সময়সীমার মধ্যে ৩০৭[ জরিমানাকৃত অর্থ] পরিশোধে ব্যর্থ হন তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কৃত অপরাধের জন্য তাঁহার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করিবে।]

৩০৮[ (১১) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী ৩০৯[ ***] ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৭), ধারা ২৫ এর উপধারা (৩), (৪) ও (৫), ৩১০[ ধারা ২৬ক এর উপ-ধারা (৩)] , ধারা ২৯ এর উপ-ধারা (৩), এবং ধারা ৩৩ এর উপ-ধারা (৫) এ বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ধারার বিধান লংঘন করে বা তদধীন প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত কোন শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লংঘন করে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং অনধিক দশ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত হইবে, এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অন্যূন পাঁচ হাজার টাকা এবং অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত হইবে।

(১২) উপ-ধারা (৯) এর অধীন জরিমানাকৃত কোন ব্যক্তি বা উপধারা (১১) এর অধীন জরিমানাকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুরূপ জরিমানা আরোপের ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট তাহা পুনর্বিবেচনার আবেদন পেশ করিতে পারিবে এবং এই ব্যাপারে উক্ত পর্ষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।]
ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, পরিচালক ইত্যাদি জনসেবক
১১০৷ ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, পরিচালক, নিরীত্মগক, অবসায়ক, ম্যানেজার এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী Penal Code, 1860 (Act XLV of 1860) এর Section 21 এ যে অর্থে জনসেবক (Public Servant) কথাটি ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে জনসেবক (Public Servant) বলিয়া গণ্য হইবেন৷
অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
১১১। ধারা ১০৯ এর অধীন সাধারণভাবে সকল অপরাধ বা তদধীন কোন নির্দিষ্ট অপরাধের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতা প্রাপ্ত উহার কোন কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ছাড়া কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন না।
ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যধারা গ্রহণের পদ্ধতি
৩১১[ ১১২। (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই আইনের কোন ধারা অথবা তদধীন কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লংঘন করার জন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে আদালতের বিচারার্থ অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে চায়, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে না বা আর্থিক জরিমানা আরোপ করিবে না সে সম্পর্কে কারণ দর্শাইতে সুযোগ দিতে পারিবে এবং প্রদত্ত ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হইলে বা, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন ব্যাখ্যা প্রদান না করিলে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সংশ্লিষ্ট ধারা বা উপধারাসমূহে উল্লিখিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে বা সংশ্লিষ্ট ধারা বা উপ-ধারাসমূহে উল্লিখিত যে কোন অংকের আর্থিক জরিমানা আরোপ করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যে সকল ক্ষেত্রে যথাযথ মনে করে সে সকল ক্ষেত্রে কৃত অপরাধের বিষয়ে একটি তদন্ত অনুষ্ঠান করিতে পারিবে এবং উহাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আরোপিত জরিমানা উক্ত ব্যাংক কোম্পানী এইরূপ আদেশ প্রদানের ১৪ দিনের মধ্যে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে।

(৪) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (৩) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আরোপিত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হয় তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনরূপ নোটিশ প্রদান ব্যতিরেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত রক্ষিত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর হিসাব বিকলন করিয়া উক্ত জরিমানা আদায় করিয়া নিতে পারিবে।]
আদায়কৃত অর্থ ব্যবহার
১১৩৷ এই আইনের অধীন অর্থদণ্ড আরোপকারী কোন আদালত এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারে যে, উক্ত অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ বা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ সংশ্লিষ্ট কার্যধারার খরচ বাবদ বা, ক্ষেত্রমত, যে ব্যক্তির সংবাদের উপর ভিত্তি করিয়া উক্ত অর্থদণ্ড আদায় করা হইয়াছে সেই ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাইবে৷
প্রাইভেট ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য বিশেষ বিধান
১১৪৷ কোন ব্যাংক-কোম্পানী প্রাইভেট কোম্পানী হইলে, উহাকে কোম্পানী আইনের ৩১২[ ধারা ১৭, ৮৩, ৯১, ১০৭, ১৩১, ১৩৩ এবং ২১২] এর অধীন কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অব্যাহতি প্রদান করা যাইবে না৷
চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য আমানত গ্রহণের উপর বাধা-নিষেধ
৩১৩[ ১১৫। কোন ব্যাংক-কোম্পানী, বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশক্রমে এতদুদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপিত কোন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ব্যতীত, অন্য কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য কোন আমানত গ্রহণ করিতে পরিবেন না:

তবে শর্ত থাকে যে,এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক পরিচালিত কোন সঞ্চয় ব্যাংক স্কীমের ক্ষেত্রের প্রযোজ্য হইবে না।]
ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তন
১১৬। কোম্পানী আইনের ৩১৪[ ধারা ১১] এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন আপত্তি নাই এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত ৩১৫[ কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তনের জন্য কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে না]।
ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘ স্মারক পরিবর্তন
১১৭৷ কোম্পানী আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন আপত্তি নাই এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘ স্মারক পরিবর্তনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে না৷
কতিপয় ক্ষতিপূরণের দাবী নিষিদ্ধ
১১৮৷ ৩১৬ [ ***] ধারা ৩১৭[ ১১, ১৫, ১৫কক, ২৩, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৯, ৭৪ এবং ৭৭] এর বিধান কার্যকর হওয়ার বা এই আইনের অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক পালিত হওয়ার কারণে কোন ব্যক্তির কোন চুক্তি বা অন্য কোন ভিত্তিতে উদ্ভূত অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত্ম হইলে তজ্জন্য তিনি ক্ষতিপূরণের দাবী উত্থাপন করিতে পারিবেন না৷

তথ্য বিনিময়
১১৯৷ ব্যাংক-কোম্পানীসমূহ পরস্পরের মধ্যে গোপনীয়তার ভিত্তিতে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাহাদের স্ব স্ব গ্রাহক সম্পর্কে তথ্য বিনিময় করিতে পারিবে৷
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা</strong>
৩১৮[ ১২০৷ (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, ৩১৯[ বিশেষায়িত] ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকুরীর শর্তাদি সম্পর্কিত কোন বিধি সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত প্রণয়ন করা যাইবে না৷

(২) প্রস্তাবিত বিধি সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রকাশ করার পূর্বে উহার উপর সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি আহ্বান করিয়া বহুল প্রচারিত অন্যুন একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজী পত্রিকায় প্রকাশ করিতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি দাখিল করার জন্য অন্যুন দুই সপ্তাহ সময় দিতে হইবে৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিশেষ ক্ষেত্রে উক্ত উপ-ধারার অধীন সংশ্লিষ্টদের মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি আহবান করা জনস্বার্থে যথাযথ হইবে না বলিয়া বিবেচিত হইলে, বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সংশ্লিষ্ট বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷

(৪) এই ধারা প্রতিস্থাপনের অব্যবহিত পূর্বে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিদ্যমান সকল বিধি, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এই ধারার অধীন বিধি প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত এমনভাবে কার্যকর থাকিবে যেন এই ধারা প্রতিস্থাপিত হয় নাই৷]

কতিপয় ক্ষেত্রে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা

১২১৷ ৩২০[ বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে], সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ঘোষণা করিতে পারে যে, এই আইনের সকল বা কোন বিশেষ বিধান, কোন নির্দিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বা সকল ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, সাধারণভাবে বা প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত কোন মেয়াদকালে প্রযোজ্য হইবে না৷

সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
১২২৷ আইনের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কিছুর জন্য বা সরল বিশ্বাসে কোন কিছু সম্পাদন করিবার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বা সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের উদ্যোগ গ্রহণের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে, বা তাঁহার ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে বা ৩২১[ উহাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বা ধারা ৪৭ এর উপ-ধারা (৩) এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগকৃত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা] বা অন্য কোন আইনগত কার্য ধারা দায়ের করা যাইবে না৷

রহিতকরণ ও হেফাজত
১২৩৷ (১) ব্যাংক কোম্পানী অধ্যাদেশ, ১৯৯১ (অধ্যাদেশ নং ১৫, ১৯৯১) এতদ্বারা রহিত করা হইল৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে রহিতকরণ সত্বেও রহিতকৃত উক্ত Ordinance এর অধীন কৃত সব কিছু বা তদধীন প্রদত্ত ত্মগমতাবলে গৃহীত সকল ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যেন উহা কৃত বা গৃহীত হইবার তারিখে এই আইন বলবত্ ছিল৷

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published.