M/s. বালুরপাড় হোল্ডিংস (ব্লগ)

জমি সংক্রান্ত আইন ও সমস্যর সমাধান এখানেই

ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ ( ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন )দ্বিতীয় খন্ড

ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ ( ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন )দ্বিতীয় খন্ড

17 August, 2018

দ্বিতীয় খন্ড ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী
৭৷ (১) ব্যাংক-ব্যবসা ছাড়াও, কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন ব্যবসায় নিয়োজিত হইতে পারিবে, যথা :-(ক) ঋণ গ্রহণ, অর্থ সংগ্রহ বা গ্রহণ;
(খ) জামানত লইয়া বা জামানত ব্যতিরেকে অগ্রিম অর্থ বা কর্জ প্রদান;
(গ) বিনিময় বিল, হুণ্ডি, প্রতিশ্রুতিপত্র, কূপন, ড্রাফ্‌ট, বহনপত্র, রেলওয়ে রশিদ, ওয়ারেন্ট, ঋণপত্র, সার্টিফিকেট, মেয়াদী অংশগ্রহণ-পত্র, মেয়াদী অর্থ সংস্থান-পত্র, মুশারিকা সার্টিফিকেট, ২৭[ মুদারাবা] সার্টিফিকেট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অনুরূপ অন্যান্য দলিল, এবং হস্তান্তর বা বিনিময়যোগ্য হউক বা না হউক এমন অন্যান্য দলিল ও সম্পত্তি নিদর্শন-পত্র, ক্ষেত্রমত, সম্পাদন, লিখন, দাবী প্রস্তুতকরণ, বাট্টাকরণ, ক্রয়, বিক্রয়, সংগ্রহ এবং লেনদেন;
(ঘ) লেটার অব ক্রেডিট, ট্রাভেলার্স চেক, ২৮[ ব্যাংক কার্ড] এবং সার্কুলার নোট অনুমোদন ও ইস্যু করা;
(ঙ) স্বর্ণ, রৌপ্য ও অন্যান্য ধাতব মুদ্রা ক্রয়, বিক্রয় এবং লেনদেন;
(চ) বিদেশী ব্যাংক নোটসহ বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় এবং বিক্রয়;
(ছ) ষ্টক, তহবিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার-ষ্টক, বন্ড, দায় সম্পত্তি নিদর্শন-পত্র, মেয়াদী অংশগ্রহণ-পত্র, মেয়াদী অর্থ সংস্থান-পত্র, মুশারিকা সার্টিফিকেট, ২৯[ মুদারাবা] সার্টিফিকেট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য দলিল ও সর্বপ্রকার বিনিয়োগ গ্রহণ, ধারণ, কমিশন ভিত্তিতে প্রেরণ, এবং উহাদের দায় গ্রহণ ও লেনদেন;
৩০[ (জ) বন্ড, স্ক্রিপ বা অন্যান্য প্রকারের সম্পত্তি নিদর্শন পত্র যথা, মেয়াদী অংশগ্রহণ-পত্র, মেয়াদী অর্থ সংস্থান-পত্র, মুদারাবা সার্টিফিকেট, মুশারিকা সার্টিফিকেট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য অনুরূপ দলিল, সরকারের পক্ষে বা অন্যান্যদের পক্ষে ক্রয় ও বিক্রয়;]
(ঝ) ঋণ ও অগ্রিমের বন্দোবস্ত করা;
(ঞ) সর্বপ্রকার বন্ড ও মূল্যবান সামগ্রীর আমানত গ্রহণ বা উহাদিগকে নিরাপদ হেফাজতে বা অন্যভাবে রাখিবার জন্য গ্রহণ;
(ট) গচ্ছিত বস্তুর নিরাপত্তার জন্য ভল্টের ব্যবস্থা গ্রহণ;
(ঠ) সম্পত্তি নিদর্শন-পত্রের বিপরীতে টাকা সংগ্রহ ও প্রেরণ;
(ড) সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোন ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করা;
(ঢ) কোন কোম্পানী ব্যবস্থাপক প্রতিনিধি এবং কোষাধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করা ব্যতীত, গ্রাহকদের প্রতিনিধি হিসাবে মালামাল খালাস ও প্রেরণ এবং আমমোক্তার হিসাবে কাজ করাসহ যে কোন ধরনের এজেন্সি ব্যবসা পরিচালনা;
(ণ) সরকারী এবং বেসরকারী ঋণের ব্যাপারে আলাপ আলোচনা ও চুক্তি সম্পাদন এবং উক্ত ঋণ প্রদান;
(ত) কোন কোম্পানী, কর্পোরেশন বা সমিতির শেয়ার, ষ্টক, ঋণপত্র বা ডিবেঞ্চার-ষ্টক বিতরণে ঝুঁকি গ্রহণ, নিশ্চয়তা প্রদান ও দায়গ্রহণ এবং উক্তরূপ কোন কাজের জন্য ঋণ প্রদান;
(থ) যে কোন প্রকার জামিন এবং ক্ষতি নিস্কৃতি ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্যবসা পরিচালনা এবং উক্তরূপ ব্যবসায়ে লেনদেন;
(দ) স্বাভাবিক ব্যাংক-ব্যবসা পরিচালনাকালে-
(১) বিক্রেতা কর্তৃক পুনঃ ক্রয়, বা
(২) ভাড়ায় খরিদ পদ্ধতিতে বিক্রয়, বা
(৩) বিলম্বে মূল্য পরিশোধ, বা
(৪) ইজারা, বা
(৫) আয় ভাগাভাগি, বা
(৬) অন্য কোনভাবে অর্থ সংস্থান,
এর ব্যবস্থাসহ বা অনুরূপ ব্যবস্থা ব্যতিরেকে পণ্য, পেটেন্ট, ডিজাইন, ট্রেডমার্ক এবং গ্রন্থস্বত্বসহ যে কোন সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন;
(ধ) ব্যাংক-কোম্পানীর কোন দাবীর আংশিক বা সম্পূর্ণ পরিশোধের জন্য কোন সম্পত্তি দখলে গ্রহণ বা অনুরূপ সম্পত্তির উদ্ধার ও ব্যবস্থাপনা;(ন) কোন ঋণ বা অগ্রিমের জামানতের সম্পত্তি বা জামানত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি এবং উক্ত সম্পত্তি সম্পর্কিত অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ অর্জন, ধারণ এবং উহাদের ব্যবস্থাপনা;
(প) ট্রাষ্টের দায়িত্ব গ্রহণ ও উহার বাস্তবায়ন;
(ফ) নির্বাহক বা ট্রাষ্টি হিসাবে বা অন্যভাবে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ
(ব) ব্যাংক-কোম্পানীর কর্মচারী বা প্রাক্তন কর্মচারী বা তাঁহাদের পোষ্যগণের কল্যাণার্থে-
(১) সমিতি, প্রতিষ্ঠান, তহবিল, ট্রাষ্ট অথবা অন্য কোন সংস্থা স্থাপন এবং উহাদের স্থাপনকল্পে সাহায্য বা সহযোগিতা প্রদান;
(২) পেনশন ও ভাতা প্রদান;
(৩) বীমার প্রিমিয়াম প্রদান;
(৪) কোন প্রদর্শনী বা সাধারণভাবে উপকারী কোন কাজে চাঁদা প্রদান;
(৫) ঐসব ব্যাপারে অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা;
(ভ) উহার প্রয়োজন বা সুবিধার্থে ইমারত বা এইরূপ অন্যকিছু অর্জন, নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং উহার পরিবর্তন সাধন;
(ম) উহার সমুদয় সম্পত্তি বা অংশ বিশেষ বা উহার কোন অধিকার বিক্রয়, উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা, বিনিময়, ইজারা প্রদান, বন্ধকে রাখা বা অন্যবিধ উপায়ে হস্তান্তরকরণ বা টাকায় রূপান্তরকরণ বা অন্য কোন উপায়ে উক্ত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ;
(য) এই উপ-ধারায় বর্ণিত ব্যবসার প্রকৃতির সহিত মিল থাকিলে, কোন ব্যক্তি বা কোম্পানীর ব্যবসা বা ব্যবসার কোন অংশ অর্জন এবং উহার দায়িত্ব গ্রহণ;
(র) উহার ব্যবসায়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনের জন্য আনুষংগিক ও সহায়ক অন্যান্য সকল কাজকর্ম সম্পাদন;
(ল) সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্য যেসব ব্যবসা ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক করা যাইতে পারে বলিয়া নির্দিষ্ট করা হয় সেই সকল ব্যবসায়৷<
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যবসায় ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসায়ে নিয়োজিত হইতে পারিবে না৷
৩১[ (৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৩২[ ***] ধারা ২৬ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার হিসাবে বা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন হইতে নিবন্ধন গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে এইরূপ কোন ব্যবসায়ে সরাসরি লিপ্ত হইতে পারিবে না।]
“ব্যাংক” বা তদুদ্‌ভূত অন্যান্য শব্দের ব্যবহার

<script async src=”//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”></script>
<script>
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
google_ad_client: “ca-pub-9553086396826140”,
enable_page_level_ads: true
});
</script>
৮। বাংলাদেশে ব্যাংক-ব্যবসায়ে নিয়োজিত প্রত্যেক কোম্পানী উহার নামের অংশ হিসাবে “ব্যাংক” শব্দটি অথবা ইহা হইতে উদ্ভূত অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করিবে এবং ব্যাংক-কোম্পানী ব্যতীত ৩৩[ অন্য কোন কোম্পানী কিংবা প্রতিষ্ঠান] ইহার নামের অংশ হিসাবে এমন কোন শব্দ ব্যবহার করিবে না যাহাতে উহাকে ব্যাংক-কোম্পানী হিসাবে মনে করিবার অবকাশ থাকে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন কিছুই নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথা :
(ক) ৩৪[ ধারা ২৬] এ উল্লিখিত এক বা একাধিক উদ্দেশ্যে গঠিত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সাবসিডিয়ারী কোম্পানী;
(খ) ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত কোন সমিতি, যাহা কোম্পানী আইনের ৩৫[ ধারা ২৮] এর অধীনে নিবন্ধনকৃত:t-তবে আরও শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পূর্ণ বা আংশিক মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোন কোম্পানীকে উহা ব্যাংক কোম্পানী না হইলেও, সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এবং তত্কর্তৃক নির্দ্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, উহার নামের অংশ হিসাবে “ব্যাংক” বা উক্ত শব্দ হইতে উদ্ভূত অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করিবার জন্য অধিকার দিতে পারিবে৷
কতিপয় ব্যবসায় নিষিদ্ধ
৯৷ ধারা ৭ এর অধীন অনুমোদিত ব্যবসা ব্যতীত, কোন ব্যাংক-কোম্পানী, উহাকে প্রদত্ত বা উহা কর্তৃক রক্ষিত জামানত আদায়ের ক্ষেত্র ছাড়া, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন পণ্যের ক্রয়, বিক্রয় বা বিনিময় ব্যবসা করিবে না, অথবা আদায় বা কারবারের জন্য প্রাপ্ত বিনিময় বিল সংক্রান্ত কারণ ব্যতীত, অন্যের জন্য কোন ব্যবসায় বা কোন পণ্য ক্রয়, বিক্রয় বা বিনিময়ে লিপ্ত হইতে পারিবে না ৩৬[ :তবে শর্ত থাকে যে, ইসলামী ৩৭[ শরীয়াহ] মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে স্বীকৃত ইসলামী পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক মালামাল বা পণ্য ক্রয়, বিক্রয় বা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না৷]ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “পণ্য” অর্থ, আদায়যোগ্য দাবী, ষ্টক, শেয়ার, টাকা পয়সা, স্বর্ণ-রৌপ্য ৩৮[ ও অন্যান্য ধাতু এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), (ঘ), (ছ) ও (জ) এ উল্লিখিত সকল দলিল দস্তাবেজ ব্যতীত, সকল প্রকারের অস্থাবর সম্পত্তি]
ব্যাংক ব্যবসায়ে ব্যবহৃত নয় এমন সম্পত্তি হস্তান্তর

১০৷ (১) ধারা ৭ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিজস্ব ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এমন কোন স্থাবর সম্পত্তি, উহা যে ভাবেই অর্জিত হইয়া থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক-কোম্পানী, উহা অর্জনের তারিখ হইতে সাত বত্সর বা এই আইন প্রবর্তনের তারিখ হইতে সাত বত্সর, যাহা পরে শেষ হয়, এর অধিক সময় সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার পর স্বীয় অধিকারে রাখিবে না৷

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর আমানতকারীগণের স্বার্থে, উক্ত সম্পত্তি অধিকারে রাখার সময়সীমা বর্ধিত করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময় অনধিক পাঁচ বত্সর পর্যন্ত বর্দ্ধিত করিতে পারিবে৷

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যাংক-কোম্পানীর প্রকৃত প্রয়োজনে ব্যবহৃত হইলে উক্ত সম্পত্তি ব্যাংক-কোম্পানীর নিজস্ব ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে৷
ব্যবস্থাপক প্রতিনিধি নিয়োগ নিষিদ্ধকরণ ও কতিপয় নিয়োগের উপর বাধা নিষেধ
১১৷ (১) কোন ব্যাংক কোম্পানী-
(ক) উহার জন্য ব্যবস্থাপক প্রতিনিধি নিয়োগ করিবেনা বা ব্যবস্থাপক প্রতিনিধির দ্বারা উহার ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করিবেনা; বা
(খ) এমন কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করিবেনা বা এমন কোন ব্যক্তির নিয়োগ অব্যাহত রাখিবেনা
(অ) যিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইয়াছেন, বা কোন সময় দেউলিয়া ছিলেন, বা তাঁহার পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ বন্ধ করিয়াছেন, বা পাওনাদারের সহিত আপোষ রফার মাধ্যমে পাওনা আদায় হইতে অব্যাহতি লাভ করিয়াছেন, বা নৈতিক স্খলনজনিত কারণে কোন ফৌজদারী আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হইয়াছেন;
(আ) যিনি তাঁহার পারিশ্রমিক বা পারিশ্রমিকের অংশ কমিশনের আকারে বা কোম্পানীর লাভের অংশের আকারে গ্রহণ করেন
তবে শর্ত থাকে যে,এই উপ-দফার কোন কিছুই ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত নিম্নলিখিত বোনাস বা কমিশনের—ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথা:
(১) কোন আইনের অধীনে শিল্প বিরোধ সম্পর্কিত কোন নিস্পত্তি বা রোয়েদাদ মোতাবেক, বা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক প্রণীত কোন স্কীম অনুসারে বা ব্যাংক-কোম্পানী প্রচলিত রীতি অনুসারে প্রদত্ত বোনাস; বা
(২) জামিনদার দালালসহ যে কোন দালাল, ক্যাশিয়ার, ঠিকাদার, মালামাল খালাস ও প্রেরণকারী প্রতিনিধি, নিলামদার বা, উক্ত কোম্পানীর নিয়মিত কর্মচারী ব্যতীত, চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত কমিশন; ৩৯[ ***]
(ই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মতানুসারে যাহার পারিশ্রমিক মাত্রাতিরিক্ত৷
ব্যাখ্যা ১৷- এই উপ-দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “পারিশ্রমিক” বলিতে ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত কোন ব্যক্তির বেতন, ফিস এবং বেতন-অতিরিক্ত সুবিধাদিও অন্তর্ভুক্ত হইবে, কিন্তু দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে তিনি যে প্রকৃত খরচ করিয়াছেন তাহা পরিশোধ করার জন্য যে অর্থ বা ভাতা তাঁহাকে দেওয়া হয় উহা অন্তর্ভুক্ত হইবে না;
ব্যাখ্যা ২৷- এই উপ-দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন পারিশ্রমিক মাত্রাতিরিক্ত কিনা ইহা নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি বিবেচনা করিতে পারিবে, যথা :-
(ক) ব্যাংক-কোম্পানীর আর্থিক অবস্থা, কর্মকান্ডের ব্যাপকতা, ব্যবসার পরিমাণ এবং উপার্জন —ক্ষমতার সাধারণ ঝোঁক;
(খ) উহার শাখা বা কার্যালয়ের সংখ্যা;
(গ) পারিশ্রমিক প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগ্যতা, বয়স এবং অভিজ্ঞতা;
(ঘ) ব্যাংক-কোম্পানীতে নিয়োজিত অন্যান্য ব্যক্তিকে অথবা প্রায় একই অবস্থাসম্পন্ন অন্যান্য ব্যাংক-কোম্পানীতে অনুরূপ পদে নিয়োজিত ব্যক্তিকে প্রদত্ত পারিশ্রমিকের পরিমাণ; এবং
(ঙ) উহার আমানতকারীদের স্বার্থ৷
(গ) এমন ব্যক্তি দ্বারা পরিচালিত হইবে না, যিনি
(অ) বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন গ্রহণ না করিয়া, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা কোম্পানী আইনের ৪০[ ধারা ২৮] এর অধীন নিবন্ধীকৃত কোন কোম্পানী ব্যতীত অন্য কোন কোম্পানীর পরিচালক হিসাবে কার্যরত আছেন; বা
(আ) অন্য কোন ব্যবসায়ে বা পেশায় নিয়োজিত আছেন; বা
(ই) কোন সময়ে ৪১[ একাদিক্রমে] পাঁচ বত্সরের অধিক সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলেন
তবে শর্ত থাকে যে, ব্যাংক-কোম্পানী পরিচালনার জন্য কোন চুক্তির মেয়াদ, কোম্পানীর পরিচালকদের সিদ্ধান্তের দ্বারা, প্রতিবারে অনধিক পাঁচ বত্সরের জন্য নবায়ন বা বর্ধিত করা যাইবে :
তবে আরও শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক হওয়ার কারণেই কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপনা-পরিচালক ব্যতীত, এর—ক্ষেত্রে এই দফার বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবেনা৷< (২) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, পরিচালক, ম্যানেজার, বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউন, সম্পর্কে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ এইরূপ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, তিনি কোন আইনের বিধান লঙ্ঘন করিয়াছেন, এবং বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, উক্তরূপ লঙ্ঘন এতই গুরুতর যে, ব্যাংক-কোম্পানীর সহিত উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট থাকা ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার আমানতকারীদের স্বার্থবিরোধী বা অন্য কোনভাবে অবাঞ্চিত হইবে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক এই মর্মে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, আদেশে উল্লেখিত তারিখ হইতে, উক্ত ব্যক্তি তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন না, এবং এইরূপ আদেশ প্রদান করা হইলে, উক্ত তারিখ হইতে তাঁহার উক্ত পদ শূন্য হইবে৷ (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশে ইহা উল্রেখ করা যাইতে পারে যে, উক্ত ব্যক্তি, বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে, উক্ত আদেশে উল্লেখিত মেয়াদ, যাহা পাঁচ বত্সরের বেশী হইবে না, এর মধ্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট থাকিবেন না বা অংশ গ্রহণ করিবেন না৷ (৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রস্তাবিত কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগ না দিয়া উক্ত আদেশ প্রদান করা যাইবে না : তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, অনুরূপ কোন সুযোগ প্রদানজনিত বিলম্ব উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা ইহার আমানতকারীগণের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হইবে, তাহা হইলে অনুরূপ সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজন হইবে না৷>
৪২[ (৪ক) যদি কোন ব্যাংক কোম্পানীর কোন কর্মকর্তা অর্থ আত্মসাত, দুর্নীতি, জাল-জালিয়াতি, নৈতিক স্খলনজনিত কারণে চাকুরী হইতে বরখাস্ত হন, তাহা হইলে তিনি পরবর্তী কোন ব্যাংক কোম্পানীর চাকুরীতে নিয়োগের অযোগ্য হইবেন৷]
(৫) এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন সিদ্ধান্ত বা আদেশ চূড়ান্ত হইবে৷
দলিল ও ৪৩[ নথিপত্র এবং কর্মপ্রক্রিয়া] অপসারণের উপর বাধা-নিষেধ
১২৷ কোন ব্যাংক-কোম্পানী সদর দপ্তর বা কোন শাখা হইতে, আপাততঃ উহাতে কোন কার্য পরিচালিত হউক বা না হউক, উহার ব্যবসা সংক্রান্ত কোন দলিল বা ৪৪[ নথিপত্র কিংবা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়াযোগ্য কার্যক্রম], বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে, বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে অপসারণ করিবেনা৷
ব্যাখ্যা৷- এই ধারায়
(ক) “নথিপত্র” অর্থ ৪৫[ তথ্যপ্রযুক্তি] কলাকৌশলের সাহায্যে বা অন্য কোন উপায়ে রক্ষিত লেজার, ডে-বুক, ক্যাশ বহি, হিসাব বহি এবং ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবসায়ে ব্যবহৃত অন্য সকল বহি; এবং
(খ) “দলিল” অর্থ ৪৬[ তথ্যপ্রযুক্তি] কলাকৌশলের সাহায্যে বা অন্য কোন উপায়ে রক্ষিত ভাউচার, চেক, বিল, পে-অর্ডার, অগ্রিমের জামানত এবং ব্যাংক-কোম্পানীর বহিতে উল্লেখিত কোন বিষয়ের সমর্থনকারী বা উহার স্বপক্ষে বা বিপক্ষে কোন দাবী সমর্থনকারী অন্য যে কোন দলিল৷
৪৭[ মূলধন সংরক্ষণ]
১৩৷ ৪৮[ (১) বাংলাদেশে কার্যরত সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, নির্ধারিত পরিমাণে, হারে ও পন্থায় মূলধন সংরক্ষণ করিতে হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রমে, বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহকে এই ধারার বিধান হইতে অব্যাহতি দিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘মূলধন’’ বলিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, জারীকৃত মূলধন সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালায় যে সকল উপাদানকে মূলধন বলিয়া নির্দিষ্ট করা হইবে সেই সকল উপাদানকে বুঝাইবে।
(২) আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়ামসহ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংসে এর সমষ্টি, এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত পরিমাণের কমপক্ষে সমান সংরক্ষিত না হইলে এই আইন কার্যকর হইবার পর হইতে, বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানী, একাদিক্রমে অনুরূপ সংরক্ষণে ব্যর্থতার ২ (দুই) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর, বাংলাদেশে উহার ব্যবসা পরিচালনা করিবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক সমীচীন মনে করিলে বিশেষ ক্ষেত্রে উল্লিখিত মেয়াদ অনধিক ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে।]
৪৯[ (৩) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধিত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত ব্যাংক কোম্পানী নগদে বা দায়হীন অনুমোদিত সম্পত্তি নিদর্শনপত্রে অথবা আংশিক নগদে ও আংশিক অনুরূপ নিদর্শনপত্রে অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন সম্পদে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট ৫০[ উক্ত অর্থ জমা না রাখিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (২) এর] বিধান পালন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না
তবে আরও শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের বাহির হইতে তহবিল ৫১[ আনয়ন] করিয়া বা বাংলাদেশের আমানত হইতে অর্জিত বিদেশে প্রেরণযোগ্য মুনাফা দ্বারা আহরিত সম্পদে উক্ত অর্থ জমা রাখিতে হইবে।]
(৪) ৫২[ ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ১১ নং আইন) এর ৮ ধারাবলে বিলুপ্ত৷]
(৫) যদি কোন কারণে বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার ব্যাংক-ব্যবসা বাংলাদেশে বন্ধ করিয়া দেয়, তাহা হইলে উপ-ধারা (৪) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট উক্ত ব্যাংক কর্তৃক জমাকৃত অর্থ উহার সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যাংকের বাংলাদেশস্থ পাওনাদারদের পাওনা উক্ত অর্থের উপর প্রথম দায় হইবে।
(৬) ৫৩[ কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক সংরক্ষিতব্য বা সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ বা উপাদান ইত্যাদি] নির্ধারণের বিষয়ে কোন বিরোধ দেখা দিলে তত্সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
৫৪[ (৭) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) মোতাবেক আবশ্যক পরিমাণে, হারে ও পন্থায় মূলধন সংরক্ষণ করিতে ব্যর্থ হইয়াছে তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে অনধিক ১ (এক) বৎসরের মধ্যে উক্ত ঘাটতি পূরণের নির্দেশ দিতে পারিবে এবং এইরূপ নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ব্যর্থতা অব্যাহত থাকিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত যে কোন অথবা সকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে, যথা:
(ক) নির্দিষ্ট মেয়াদে বা অনুরূপ ঘাটতি পূরণের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত ব্যাংক কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ করা
(খ) নির্দিষ্ট মেয়াদে বা অনুরূপ ঘাটতি পূরণের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত ব্যাংক কর্তৃক নূতন ঋণ ও অগ্রিম প্রদান নিষিদ্ধ করা;
(গ) উক্ত ব্যর্থতার জন্য সর্বনিম্ন বিশ লক্ষ টাকা হইতে অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা জরিমানা আরোপ এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ; এবং
(ঘ) এই আইনের অধীন অন্যান্য শাস্তি বা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।]
৫৫[ ব্যাখ্যা- এই ধারায় “ঝুঁকি-ভিত্তিক মূলধন” বলিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সম্পদের ভারিত (Weighted) ঝুঁকির ভিত্তিতে নিরূপিত মোট সম্পদের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হারে রক্ষিতব্য মূলধনকে বুঝাইবে৷]
৫৬[ বিলুপ্ত]
১৩ক৷ ৫৭[ সম্পদে ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন- ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ১১ নং আইন) এর ৯ ধারা কর্তৃক বিলুপ্ত৷]
আদায়কৃত মূলধন, প্রতিশ্রুত মূলধন, অনুমোদিত মূলধন ও শেয়ার হোল্ডারগণের ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রণ
১৪৷ (১) ৫৮[ বিশেষায়িত] ব্যাংক ব্যতীত বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিম্নবর্ণিত শর্তাবলী পূরণ না করিলে, উহা বাংলাদেশে ব্যবসা আরম্ভ করিতে পারিবেনা :
(ক) উহার প্রতিশ্রুত মূলধন অনুমোদিত মূলধনের অর্ধেকের কম হইবে না;
(খ) উহার আদায়কৃত মূলধন প্রতিশ্রুত মূলধনের অর্ধেকের কম হইবে না
(গ) ৫৯[ উহার অনুমোদিত মূলধন] বর্ধিত করা হইলে (ক) ও (খ) দফার শর্তাবলী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়, যাহা দুই বত্সরের বেশী হইবেনা, এর মধ্যে পূরণ করিতে হইবে;< (ঘ) উহার মূলধন শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ার সমন্বয়ে গঠিত হইবে; (ঙ) দফা (চ) এর বিধান সাপেক্ষে, উহার যে কোন শেয়ার হোল্ডারের ভোটাধিকার আদায়কৃত মূলধনে তাঁহার প্রদত্ত অংশের অনুপাতে নির্ধারিত হইবে; (চ) সরকার ব্যতীত অন্য কোন একক শেয়ার হোল্ডারের ভোটাধিকার সকল শেয়ার হোল্ডারগণের সামগ্রিক ভোটাধিকারের শতকরা পাঁচ ভাগের বেশী হইবে না৷ (২) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে বা কোন চুক্তি বা অন্য কোন দলিলে যাহা কিছুই থাকুকনা কেন, কোন ব্যক্তি ৬০[ ***] কোন ব্যাংক-কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার হিসাবে রেজিষ্ট্রিভুক্ত হইলে, তাঁহার বিরুদ্ধে তাঁহার শেয়ারের স্বত্ব, অন্য কোন ব্যক্তির উপর ন্যস্ত হইয়াছে এই দাবীতে কোন মামলা বা অন্য কোন প্রকার আইনগত কার্যধারা দায়ের করা যাইবে না >তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা বা আইনগত কার্যধারারক্ষেত্রে এই উপ-ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না, যথা :
(ক) শেয়ার হস্তান্তর সংক্রান্ত আইন অনুসারে কোন রেজিষ্ট্রিভুক্ত শেয়ার হোল্ডার হইতে কোন শেয়ারের হস্তান্তর গ্রহীতা;
(খ) কোন রেজিষ্ট্রিভুক্ত শেয়ার হোল্ডার কোন নাবালক বা বিকৃত মস্ত্মিস্ক সম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষে উক্ত শেয়ার ধারণ করেন এই দাবীতে উক্ত নাবালক বা বিকৃত মস্তিস্ক সম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি৷
(৩) ৬১[ * * *] কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এবং তাঁহার পরিবারের সদস্যবর্গ, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীতে এবং অন্য কোন কোম্পানীতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যে শেয়ার, সম্পদ ও দায়-দেনা ধারণ করেন উহার পরিমাণ ও মূল্য সংক্রান্ত তথ্য এবং উহার পরিমাণ বা উহার অধিকার এবং দায়িত্ব সম্পর্কে কোন পরিবর্তন হইলে তত্সংক্রান্ত তথ্য, এবং অনুরূপ শেয়ার, সম্পদ ও দায়-দেনার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উহার আদেশের দ্বারা তলবকৃত অন্যান্য তথ্য সম্বলিত একটি পূর্ণ বিবরণী উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে এবং সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট প্রেরণ করিবেন৷
ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে বাধা-নিষেধ ইত্যাদি
৬২[ ১৪ক৷ (১) কোন ব্যক্তি, কোম্পানী বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যাংকের শেয়ার কেন্দ্রীভূত করা যাইবে না এবং কোন ব্যক্তি, কোম্পানী বা কোন পরিবারের সদস্যগণ একক, যৌথ বা উভয়ভাবে কোন ব্যাংকের শতকরা দশ ভাগের বেশী শেয়ার ক্রয় করিবেন না৷
(২) ৬৩[ কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক যাচিত হইলে উক্ত ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের সময় ক্রেতা] এই মর্মে শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র দাখিল করিবেন যে, তিনি অন্যের মনোনীত ব্যক্তি হিসাবে বা বেনামীতে শেয়ার ক্রয় করিতেছেন না এবং ইতিপূর্বে বেনামীতে কোন শেয়ার ক্রয় করেন নাই৷<
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত শপথপত্র বা ঘোষণাপত্রের বিষয়বস্তু যদি কোন সময় মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তাহা হইলে শপথ বা ঘোষণাকারীর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সকল শেয়ার ৬৪[ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে] বাজেয়াপ্ত হইবে৷
(৪) ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ১৯৯৫ ( ৬৫[ ১৯৯৫ সনের ২৫নং আইন]) কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে উপ-ধারা (১) এ উল্লেখিত কাহারও নিকট উক্ত উপ-ধারায় নির্ধারিত শেয়ারের অতিরিক্ত শেয়ার থাকিলে, উহা উক্ত সংশোধন কার্যকর হওয়ার এক বত্সরের মধ্যে, উক্ত কোম্পানী বা পরিবারের সদস্য নন এমন ব্যক্তি বা উক্ত কোম্পানীতে শেয়ার নাই এমন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রয় করিতে পারিবেন৷
(৫) উপ-ধারা (৪) এ উল্লেখিত অতিরিক্ত শেয়ার যদি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে ও শর্তাধীন বিক্রি করা না হয়, তাহা হইলে উক্ত অতিরিক্ত শেয়ার সরকারের বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্টকৃত কোন প্রতিষ্ঠানে ন্যস্ত হইবে এবং সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান উক্ত শেয়ারের জন্য উহার ফেস মূল্য বা বাজার মূল্যের মধ্যে যাহা কম হয় সেই মূল্য পরিশোধ করিবে৷
(৬) এই ধারার কোন কিছুই সরকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না৷
ব্যাখ্যা৷- এই ৬৬[ ধারায়] “পরিবার” অর্থে কোন ব্যক্তির স্ত্রী, স্বামী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন এবং ঐ ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল সকলকে বুঝাইবে৷]
উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক
৬৭[ ১৪খ। (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতীত, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, একক বা অন্যের সহিত যৌথভাবে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক হইতে পারিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত পূর্বানুমোদন গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করিতে হইবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যাচিত তথ্য উহাতে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।- ‘উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক’ বলিতে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, একক বা অন্যের সাথে যৌথভাবে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর মালিকানা স্বত্বের শতকরা পাঁচ ভাগের অধিক শেয়ার ধারণকে বুঝাইবে।]
নূতন পরিচালক নির্বাচন
১৫৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক, তত্কর্তৃক আদেশ প্রদানের দুই মাসের মধ্যে বা তত্কর্তৃক বর্ধিত সময়ের মধ্যে, ৬৮[ বিশেষায়িত] ব্যাংক ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে এই ৬৯[ আইনের] বিধান অনুযায়ী উহার নূতন পরিচালক নির্বাচিত করার উদ্দেশ্যে উক্ত কোম্পানীর সাধারণ সভা আহ্বানের নির্দেশ দিতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাচিত পরিচালক, উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হইলে, তাঁহার পূর্বসূরী যে তারিখ পর্যন্ত উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিতেন সেই তারিখ পর্যন্ত পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷
(৩) এই ধারার অধীনে যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সম্পর্কে কোন আদালতে কোন প্রশ্ন উপস্থাপন করা যাইবে না৷
৭০[ (৪) বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উহার পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ৭১[ নির্বাচন বা, ক্ষেত্রমত, মনোনয়নের পর] নিযুক্তি বা পদায়নের পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে এবং এইরূপ নিযুক্ত কর্মকর্তাগণকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি দেওয়া, বরখাস্ত করা বা অপসারণ করা যাইবে না।]
৭২[ (৫) বাংলাদেশ ব্যাংক, উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্তির বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করিবে]
৭৩[ (৬) কোন ব্যক্তি কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্ত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি
(অ) তাহার অন্যূন ১০ (দশ) বৎসরের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা না থাকে;
(আ) তিনি ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হন কিংবা জাল-জালিয়াতি, আর্থিক অপরাধ বা অন্যবিধ অবৈধ কর্মকান্ডের সহিত জড়িত ছিলেন বা থাকেন;
(ই) তাহার সম্পর্কে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলায় আদালতের রায়ে কোন বিরূপ পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্য থাকে;
<(ঈ) তিনি আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট কোন নিয়ামক সংস্থার বিধিমালা, প্রবিধান বা নিয়ামাচার লংঘনজনিত কারণে দণ্ডিত হন; >(উ) তিনি এমন কোনো কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের সহিত যুক্ত থাকেন, যাহার নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাতিল করা হইয়াছে বা প্রতিষ্ঠানটি অবসায়িত হইয়াছে;< (ঊ) তাহার নিজের কিংবা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ বা খেলাপী হন;(এ) তিনি কোনো সময় আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হন। (৭) ব্যাংক-কোম্পানীর প্রস্তাবিত পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করিবেন যে, তিনি উপ-ধারা (৬) এর বিধান অনুসারে পরিচালক হইবার অনুপযুক্ত নহেন: তবে শর্ত থাকে যে, মনোনীত প্রার্থী নিযুক্তির ক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্রটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করিবে। (৮) উপ-ধারা (৬) এর বিধান এই সম্পর্কিত প্রচলিত অন্যান্য আইনের অতিরিক্ত হিসাবে গণ্য হইবে।6>
(৯) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক বা সংঘবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার ১(এক) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর ৩ (তিন) জন স্বতন্ত্র পরিচালকসহ কোন ব্যাংক-কোম্পানীতে সর্বমোট ২০ (বিশ) জনের অধিক পরিচালক থাকিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যাংক কোম্পানীর পরিচালক সংখ্যা ২০ (বিশ) জনের কম হইলে স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা অন্যূন দুইজন হইবেঃ
আরো শর্ত থাকে যে, স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের পূর্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবেঃ
আরও শর্ত থাকে যে, আইন কার্যকর হইবার ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে এই উপ-ধারার বিধান মোতাবেক সতন্ত্র পরিচালকগণের নিয়োগ নিশ্চিত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারায় ‘‘স্বতন্ত্র পরিচালক’’ বলিতে এইরূপ ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা এবং শেয়ারধারক হইতে স্বাধীন এবং যিনি কেবলমাত্র ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থে স্বীয় মতামত প্রদান করিবেন এবং ব্যাংকের সহিত কিংবা ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত যাহার অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কোন প্রকৃত স্বার্থ কিংবা দৃশ্যমান স্বার্থের বিষয় জড়িত নাই ।
(১০) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক বা সংঘবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার ১ (এক) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর হইতে কোন একক পরিবার হইতে ৭৪[ চারজনের] অধিক সদস্য একইসময়ে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকিবে না।
(১১) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালকের পদ ত্যাগ করার আবশ্যক হইলে পরিচালকগণের মধ্য হইতে কোন পরিচালক উক্ত পদ ত্যাগ করিবেন তাহা পরিচালকদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হইবে এবং পারস্পরিক সমঝোতায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে তাহা পরিচালক পর্ষদের সভায় লটারী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হইবে।
(১২) ব্যাংক-কোম্পানীর এমন কোন পরিচালক থাকিবেন না যিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা ও উপযুক্ততার শর্তাবলী পূরণ না করেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিবারের সদস্য হিসাবে স্বামী বা স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই ও বোন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল সকলেই অন্তর্ভুক্ত হইবেন।]
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ পূরণ, ইত্যাদি<
৭৫[ ১৫ক৷ (১) এই আইনে বা অন্য কোন প্রচলিত আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পদের নাম যাহাই হউক না কেন, এর শূন্য পদের বিপরীতে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক দায়িত্ব পালনে দায়বদ্ধ থাকিবেন৷<
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ ৭৬[ একাদিক্রমে] তিন মাসের অধিক সময়ের জন্য শূন্য রাখা যাইবে না৷
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে কোন ব্যাংক কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ পূরণ করা না হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করার জন্য প্রশাসক নিযুক্ত করিতে পারিবেন এবং উক্ত কোম্পানী তাঁহার বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদি বাবদ খরচ বহন করিবে৷]
পরিচালক পদের মেয়াদ, ইত্যাদি
৭৭[ ১৫কক। (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন অথবা কোনো ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ব্যাংক-কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ২০১৭ কার্যকর হইবার পর কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে একাদিক্রমে ৯ (নয়) বৎসরের অধিক অধিষ্ঠিত থাকিতে পারিবেন না।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন একাদিক্রমে ৯ (নয়) বৎসর কোনো ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকিলে উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পর ৩ (তিন) বৎসর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে পুনঃনিযুক্ত হইবার যোগ্য হইবেন না।
ব্যাখ্যা।– এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো ব্যক্তি পরিচালক পদে ৩ (তিন) বৎসরের চাইতে কম সময় অধিষ্ঠিত না থাকিলে একাদিক্রমে ৯ (নয়) বৎসর গণনার ক্ষেত্রে উক্ত সময়ও অন্তর্ভুক্ত হইবে।]
পর্ষদের ভূমিকা
৭৮[ ১৫খ। (১) ব্যাংক-কোম্পানীর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও উহার পরিপালনের জন্য পরিচালনা পর্ষদ দায়বদ্ধ থাকিবে।
(২) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য নহেন এইরূপ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি অডিট কমিটি গঠন করিবে।
(৩) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করিবে।
অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ
১৫গ। (১) পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যাংক-কোম্পানীতে একটি কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করিবে; এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা হইতে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হইবে এবং উহার প্রতিবেদন ব্যাংকের অডিট কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করিতে পারিবে এবং তাহাদের নিকট হইতে নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বা নথি সংগ্রহ করিতে পারিবে।
>(৩) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষার দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তি একই সময়ে ব্যাংক-কোম্পানীর কোন চুক্তি বা লেনদেনে সংযুক্ত হইতে বা ব্যাংক-কোম্পানীর প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবে না।]
[ বিলুপ্ত]
১৬৷ [ পরিচালক পদের মেয়াদ সম্পর্কে বাধা-নিষেধ- ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ১৩ নং আইন) এর ৭ ধারা কর্তৃক বিলুপ্ত৷]
পরিচালক পদে শূন্যতা
৮১[ ১৭৷ (১) কোন ব্যাংক কোম্পানীর পরিচালক যদি-
(ক) উক্ত ব্যাংক কোম্পানী অথবা অন্য কোন ব্যাংক কোম্পানী বা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত অগ্রিম বা ঋণ বা উক্ত অগ্রিম বা ঋণের কিস্ত্ বা সুদ পরিশোধ করিতে,
(খ) তদ্‌কর্তৃক প্রদত্ত কোন জামিনের জন্য তাঁহার নিকট প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করিতে, অথবা
(গ) তদ্‌কর্তৃক সম্পাদনীয় কোন কর্তব্য, যাহার দায়িত্ব তিনি লিখিতভাবে গ্রহণ করিয়াছেন, সম্পাদনা
নোটিশ দ্বারা তাঁহাকে উক্ত অগ্রিম, ঋণ, কিস্ত্, সুদ বা জামিনের টাকা পরিশোধ বা উক্ত কর্তব্য সম্পাদন করিতে নির্দেশ দেয় এবং উক্ত নির্দেশ পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে তিনি উক্তরূপ পরিশোধ বা কর্তব্য সম্পাদন করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে উক্ত সময় অতিক্রান্ত হইবার সাথে সাথে তাঁহার পদ শূন্য হইবে৷
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ প্রাপ্ত হইলে, তিনি, নোটিশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁহার কোন বক্তব্য থাকিলে ঐরূপ বক্তব্য লিখিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক এর নিকট প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি নোটিশ প্রদানকারী ব্যাংক কোম্পানী বা ক্ষেত্রমত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও প্রেরণ করিবেন৷
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রেরিত বক্তব্য প্রাপ্তির পনর দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক উহার উপর সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে৷
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন গৃহীত বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷

(৫) এই ধারার অধীনে কোন পরিচালকের পদ শূন্য হইলে, শূন্য হওয়া পদের বিপরীতে যে ব্যক্তি পরিচালক ছিলেন, তাঁহার নিকট প্রাপ্য টাকা সংশ্লিষ্ট ৮২[ ব্যাংক-কোম্পানীতে] তাঁহার শেয়ার সমন্বয়ের মাধ্যমে আদায় করা হইবে এবং উক্তরূপে সমন্বয়ের পর যে টাকা বকেয়া থাকিবে তাহা সরকারী পাওনা হিসাবে গণ্য হইবে এবং Public Demands Recovery Act, 1913 (Ben. Act III of 1913) এর অধীনে আদায়যোগ্য হইবে৷
(৬) এই ধারার অধীনে কোন পরিচালকের পদ শূন্য হইলে, শূন্য হওয়া পদের বিপরীতে যে ব্যক্তি পরিচালক ছিলেন, তিনি, তদ্‌কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার তারিখ হইতে এক বত্সরের মধ্যে, উক্ত ব্যাংক কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন ব্যাংক কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হইতে পারিবেন না৷]

৮৩[ (৭) উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোনো ব্যাংকে-কোম্পানীর পরিচালক নোটিশ প্রাপ্ত হইলে, তাহার নিকট সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমুদয় পাওনা পরিশোধিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি যেই ব্যাংকে পরিচালক নিয়োজিত ছিলেন সেই ব্যাংকে তাহার নামে ধারণকৃত শেয়ার হস্তান্তর করিতে পারিবেন না।
(৮) এই ধারার অধীন গৃহীত কোন ব্যবস্থা, আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর ধারা ৩ এর অধীন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত ব্যতীত অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।]
৮৪[ ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহিত লেনদেন সম্পর্কিত বিধান।]
১৮৷ (১) অন্য কোন আইন বা সংঘ স্মারকে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় অংশ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফিস বা ব্যাংকের ব্যবসায়িক স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় বলিয়া বিবেচিত হওয়ার কারণে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের দ্বারা তাঁহার উপর আরোপিত কোন বিশেষ দায়িত্ব পালনের জন্য পর্ষদ কর্তৃক স্থিরিকৃত অর্থ ব্যতীত ব্যাংক হইতে আর্থিক বা অন্য কোন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করিবেন না৷
৮৫[ (২) ব্যাংক-কোম্পানীর প্রত্যেক পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী ও তাহার নিম্নতর দুইস্তর পর্যন্ত কোন কর্মকর্তাকে স্ব স্ব বাণিজ্যিক, আর্থিক, কৃষি, শিল্প এবং অন্যান্য ব্যবসার নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য বিবরণ এবং পারিবারিক ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্টতার বিবরণ লিখিতভাবে পরিচালনা পর্ষদের নিকট বাৎসরিক ভিত্তিতে প্রদান করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্তরূপ ব্যবসায়িক স্বার্থের বিবরণ প্রদান ছাড়াও, তাহার সহিত যদি এইরূপ কোন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক থাকে, যিনি ব্যাংক-কোম্পানীর সাথে কোন উল্লেখযোগ্য চুক্তিতে আবদ্ধ কিংবা আবদ্ধ হইতে যাইতেছেন, তাহা হইলে উক্ত চুক্তি অথবা প্রস্তাবিত চুক্তি গোচরে আসিবামাত্র লিখিতভাবে পরিচালনা পর্ষদকে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) কোন পরিচালকের এই ধারার অধীন ঘোষণাযোগ্য তথ্য রহিয়াছে এইরূপ কোন বিষয় যদি পরিচালনা পর্ষদের সভায় আলোচিতব্য থাকে তাহা হইলে সভার শুরুতেই উক্ত পরিচালক বিষয়টি সম্পর্কে পর্ষদকে অবহিত করিবেন এবং অতঃপর তিনি উক্ত বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করা হইতে অথবা এই বিষয়ে কোন ভোট প্রদানে বিরত থাকিবেন এবং তাহার উপস্থিতি উক্ত সভার কোরামের জন্য গননা করা যাইবে না।
(৫) স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্বত্বের মূল্যমান, আকার কিংবা আয় অর্জনের পরিমাণ ইত্যাদির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বিবরণী হইতে কোন উপাদান বাদ দিতে পারিবে এবং উপ-ধারার (৩) এ উল্লিখিত সম্পর্ক বিষয়ে বিধান জারী করিতে পারিবে।
(৬) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান অনুযায়ী স্বার্থসংশ্লিষ্টতার বিবরণী প্রদান বা কোন গুরুত্ববপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশ করিতে ব্যর্থ হন তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার কোন শেয়ারধারক অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনক্রমে কোন যথাযথ ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত আলোচ্য চুক্তিটি, যদি থাকে, বাতিল ঘোষণা করিতে পারিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত আদেশ দ্বারা, ১ (এক) বৎসরের অধিক নয় এমন যে কোন সময়ের জন্য, উক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করিতে অথবা এই আইনের অধীনে অন্য কোন শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে।’’;
(৭) উপ-ধারা (১) এর আওতায় বিবরণী প্রদানকারী কোন ব্যক্তি এবং ব্যাংক-কোম্পানীর কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ব্যাংকের আস্থাভাজন ও অনুগত থাকিবেন এবং স্বীয় স্বার্থের উপরে আমানতকারীদের স্বার্থ এবং ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থকে স্থান দিবেন।
(৮) ব্যাংক-কোম্পানী এইরূপ কার্যপদ্ধতি প্রবর্তন করিবে যাহাতে কোন পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কোন একজন গ্রাহকের প্রতি দায়-দায়িত্ব অপর কোন গ্রাহক স্বীয় স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়।]<
শেয়ার বিক্রীর কমিশন, দালালী বা বাট্টা ইত্যাদি সম্পর্কে বাধা-নিষেধ
১৯৷ কোম্পানী আইনের ৮৬[ ধারা ১৫২ ও ১৫৩] তে ভিন্নরূপ বিধান থাকা সত্বেও, কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার শেয়ার বরাদ্দকরণের ব্যাপারে শেয়ারসমূহের বিপরীতে আদায়কৃত মূল্যের শতকরা আড়াই ভাগের বেশী অর্থ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, কমিশন, দালালী, বাট্টা বা পারিশ্রমিক হিসাবে বা অন্য কোন প্রকারে প্রদান করিতে পারিবে না৷
অনাদায়ী মূলধনের উপর ৮৭[ দায়যুক্তকরণ] অবৈধ
২০৷ কোন ব্যাংক কোম্পানী উহার কোন অনাদায়ী মূলধনকে ৮৮[ দায়যুক্ত]
করিবে না এবং এইরূপে ৮৯[ দায়যুক্ত] করা হইলে উহা অবৈধ হইবে৷
সম্পদকে অনির্দিষ্ট ৯০[ দায়যুক্তকরণ] (floating charge) অবৈধ
২১৷ (১) ধারা ৭এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন ব্যাংক-কোম্পানীর আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী হইবে না এই মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত, কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার কোন কাজ বা সম্পত্তিকে বা উহার কোন অংশকে অনির্দিষ্ট ৯১[ দায়যুক্ত] করিবে না৷
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত উপ-ধারা (১) এ উলিস্্নখিত কোন ৯২[ দায়যুক্ত] অবৈধ হইবে৷
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলে, সং—গুব্ধ ব্যাংক-কোম্পানী, অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের বিষয় উহাকে অবহিত করিবার তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে, উক্ত অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের বিরুদ্ধে ৯৩[ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন] করিতে পারিবে৷
৯৪[ ***]
>লভ্যাংশ (dividend) প্রদানের উপর বাধা-নিষেধ
৯৫[ ২২। বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যতীত অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার শেয়ারের উপর কোন লভ্যাংশ প্রদান করিবে না, যদি-
(ক) উহার প্রাথমিক ব্যয়, সাংগঠনিক ব্যয়, শেয়ার বিক্রি ও দালালীর কমিশন, লোকসান এবং অন্যান্য ব্যয়সহ মূলধনী ব্যয়ে পরিণত হইয়াছে এইরূপ সকল ব্যয় সম্পূর্ণরূপে অবলোপন না করা হইয়া থাকে, অথবা
(খ) উহা ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়।]
সাধারণ পরিচালক নিয়োগে বাধা-নিষেধ
২৩৷ ৯৬[ (১) অন্য কোন আইন বা সংশ্লিষ্ট কোন কোম্পানীর সংঘ স্মারক ও সংঘ বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,
৯৭[ (ক) কোন ব্যক্তি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক হইলে একই সময়ে তিনি অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক থাকিবেন না। তবে এই আইন কার্যকর হইবার পর হইতে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে কোন বীমা কোম্পানীর পরিচালক থাকিতে পারিবেন;]
(খ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিরেকে, কোন ব্যাংক কোম্পানীর এমন কোন পরিচালক থাকিবেন না, যিনি-
(অ) উক্ত ব্যাংক কোম্পানীর বহিঃহিসাব নিরীতগক, আইন উপদেষ্টা, উপদেষ্টা বা অন্য কোনভাবে লাভজনক পদের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন;6>
(আ) অন্য কোন ব্যাংক কোম্পানীর উপদেষ্টা;
(ই) এমন ৯৮[ কতিপয় কোম্পানীর পরিচালক যে কোম্পানীসমূহ একত্রে] উক্ত ব্যাংক কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডারদের মোট শেয়ারের বিপরীতে মোট ভোটের ২০% এর অধিক ভোট প্রদানের অধিকারী ৯৯[ ;
(ঈ) অপর কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পক্ষে পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত হইয়াছেন:]
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার বিধান সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ১০০[ বিশেষায়িত ব্যাংকের পরিচালকের] ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না
ব্যাখ্যা৷- এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “বীমা কোম্পানী” অর্থ Insurance Act, 1938 (IV of 1938) এর section 2 এর clause (8) এ সংজ্ঞায়িত insurance company৷]
১০১[ (১ক) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুযায়ী পরিচালক থাকিতে পারেন না এমন কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যাংক কোম্পানীর পরিচালক থাকেন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পরিচালক পদ হইতে অপসারণ করিবে ১০২[ |
(২) এই ১০৩[ আইন] প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্ব হইতে কোন ব্যাংক-কোম্পানীতে কর্মরত পরিচালক যদি এমন কতিপয় কোম্পানীর পরিচালক হন যেসব কোম্পানী ১০৪[ একত্রে] উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডারদের মোট শেয়ারের বিপরীতে মোট ভোটের ২০% এর অধিক ভোট প্রদানের অধিকারী, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ প্রবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে,
(ক) উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালকের পদ ত্যাগ করিবেন, অথবা
(খ) কোম্পানীগুলির মধ্যে এমন কতিপয় কোম্পানীর পরিচালক পদে থাকার সিদ্ধান্ত্ম গ্রহণ করিবেন যে সকল কোম্পানী উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীতে উহাদের মোট শেয়ার বলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডারদের শেয়ারের বিপরীতে ভোটের মোট সংখ্যার ২০% এর অধিক ভোট প্রদানের অধিকারী নহে; এবং অন্যান্য কোম্পানীর পরিচালকের পদ ত্যাগ করিবেন৷
১০৫[ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি]
২৪৷ (১) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী একটি ১০৬[ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি] গঠন করিবে, এবং শেয়ার প্রিমিয়াম একাউন্টে রতিগত অর্থসহ উক্ত তহবিলের অর্থ যদি উহার আদায়কৃত মূলধন, অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক কোন ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য এতদুদ্দেশ্যে সময় সময় যে পরিমাণ ১০৭[ ***] নির্ধারণ করে ১০৮[ তাহা অপেক্ষা কম হয়] তাহা হইলে ব্যাংক-কোম্পানী ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্তুতকৃত উহার লাভ-তগতির হিসাবে যে মুনাফা দেখাইয়াছে উহা হইতে কোন টাকা সরকারের নিকট হস্তান্তর, বা লভ্যাংশ হিসাবে ঘোষণা করার পূর্বে অন্যুন ২০% এর সমপরিমাণ টাকা ১০৯[ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতিতে] হস্তান্তর করিবে৷
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী ১১০[ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি] বা শেয়ার প্রিমিয়াম একাউন্ট হইতে কোন অর্থ কোন কাজে লাগাইবার জন্য পৃথক করিয়া রাখিলে তত্সম্পর্কে উক্তরূপ পৃথকীকরণের তারিখ হইতে ২১ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক-কে অবহিত করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক উক্তরূপ অবহিত করার সময়-সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে, বা অনুরূপ অবহিতকরণে বিলম্ব হইয়া থাকিলে উক্ত বিলম্ব মার্জনা করিতে পারিবে৷
সংরক্ষিত নগদ তহবিল
২৫৷ ১১১[ (১) তফসিলি ব্যাংক ব্যতীত প্রতিটি ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশে সংরক্ষিত নগদ তহবিল হিসাবে এই পরিমাণ নগদ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা উহার প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকে মওজুদ রাখিবে যাহা যে কোন কার্যদিবসের সমাপ্তিতে উহার সমুদয় মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়ের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারের কম হইবে না:>
তবে শর্ত থাকে যে, কোন বিশেষ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এবং উহাতে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, সংরক্ষিত নগদ তহবিল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা রহিত করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিশোধিত মূলধন, বা সংরক্ষিত সঞ্চিতিসমূহ বা লাভ-ক্ষতির হিসাবে প্রদর্শিত আকলন স্থিতি, বা বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে গৃহীত কোন ঋণ, ‘‘দায়’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে না।]
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক ১১২[ সংরক্ষিত নগদ তহবিল] সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক যখন কোন তথ্য তলব করিবে, তফসিলী ব্যাংক ব্যতীত প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী সেই তথ্য সম্বলিত একটি বিবরণী উক্ত কোম্পানীর দুইজন কর্মকর্তার স্বাতগরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে৷
(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (২) এর বিধান মোতাবেক বিবরণী দাখিল করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যর্থতার প্রতি দিনের জন্য উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনূর্ধ্ব ১১৩[ পঁচিশ হাজার টাকা] পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে৷
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত বিবরণী হইতে যদি দেখা যায় যে, উহা দাখিল করিবার নির্ধারিত তারিখের পূর্বের যে কোন দিবসের কাজের সমাপ্তিতে বিবরণ দাখিলকারী ব্যাংক-কোম্পানী মওজুদ অর্থ উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত ন্যুনতম নগদ অর্থ অপেতগা কম ছিল, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত কোম্পানীকে উক্ত ঘাটতির উপর উহাকে ব্যাংক রেট অপেতগা ৩% ভাগ বেশী হারে উক্ত দিবসের জন্য জরিমানামূলক সুদ প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে, এবং অনুরূপ পরবর্তী কোন বিবরণী হইতেও যদি দেখা যায় যে, উহা দাখিলের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্বের যে কোন দিবসের কাজের সমাপ্তিতেও উক্ত কোম্পানীর মওজুদ অর্থ উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত ন্যুনতম নগদ অর্থ অপেতগা কম ছিল, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত কোম্পানীকে উক্ত ঘাটতির উপর উহাকে ব্যাংক রেট অপেতগা ৫% বেশী হারে দিনগুলির জন্য জরিমানামূলক সুদ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে৷
(৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক দাখিলকৃত বিবরণীর ভিত্তিতে উপ-ধারা (৪) এর অধীন যদি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ব্যাংক রেটের উপর শতকরা ৫% ভাগ বেশী হারে জরিমানামূলক সুদ প্রদেয় হয়, এবং তত্পরবর্তী বিবরণী হইতে যদি দেখা যায় যে, উহার নিকট উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত ন্যুনতম নগদ অর্থ অপেতগা কম অর্থ আছে তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক তত্কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ হইতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে নূতন আমানত গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ অমান্য করিয়া কোন আমানত গৃহীত হইলে আমানত গ্রহণের প্রত্যেক তারিখের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে, উহাকে প্রদেয় অনূর্ধ ১১৪[ পঞ্চাশ হাজার টাকা] পর্যন্ত জরিমানা করিতে পারিবে৷(৬) এই ধারার অধীন আরোপিত কোন জরিমানা, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদায় করিতে হইবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি উহা আদায় করা না হয় তাহা হইলে উহা সরকারী দাবী (public demand) হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷h6
সাবসিডিয়ারী কোম্পানী
২৬৷ ১১৫[ ***] কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিম্নবর্ণিত কোন উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে কোন সাবসিডিয়ারী কোম্পানী গঠন করিতে ১১৬[ বা সাবসিডিয়ারী কোম্পানীতে পরিণত করার উদ্দেশ্যে কোন বিদ্যমান কোম্পানীর নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ার ক্রয় করিতে] পারিবে না, যথা:-(ক) কোন ট্রাষ্ট পরিচালনা ও কার্যকর করা;
(খ) নির্বাহক বা ট্রাষ্টী হিসাবে বা অন্য কোন প্রকারে কোন সম্পত্তি পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করা;
(গ) আমানতের নিরাপত্তা বিধানের জন্য নিরাপদ ভল্টের ব্যবস্থা করা;
(ঘ) ১১৭[ শরীয়াহ] নীতিমালা অনুসারে ব্যাংক-ব্যবসায় পরিচালনা করা;
(ঙ) বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত পূর্বানুমতিক্রমে,-
(অ) কেবলমাত্র বাংলাদেশের বাহিরে ব্যাংক-ব্যবসা পরিচালনা করা;
(আ) অনিবাসীগণের নিকট হইতে বৈদেশিক মুদ্রায় প্রাপ্ত এবং অবাধে হস্তান্তরযোগ্য আমানতের ভিত্তিতে ব্যাংক-ব্যবসা পরিচালনা করা;
১১৮[ (ই) স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার হিসাবে বা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন হতে নিবন্ধন গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে এইরূপ কোন প্রকার ব্যবসায় পরিচালনা করা;]
১১৯[ (চ) বাংলাদেশ ব্যাংক, যে সকল ব্যবসাকে বাংলাদেশে ব্যাংক-ব্যবসার প্রসার ও উন্নয়নের জন্য সহায়ক বা জনস্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় বা অন্য কোনভাবে উপকারী বলিয়া মনে করে, সেই সকল ব্যবসার উদ্যোগ গ্রহণ করা৷]

<script async src=”//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”></script>
<script>
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
google_ad_client: “ca-pub-9553086396826140”,
enable_page_level_ads: true
});
</script>
ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক অন্য কোন কোম্পানীর শেয়ার ধারণ
১২১[ ২৬ক। (১) ধারা ২৬ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী অন্য কোন কোম্পানীর শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে নিমণবর্ণিত পরিমাণের অধিক শেয়ার ধারণ করিবে না, যথা:-
(ক) ধারণকৃত শেয়ার বাজারমূল্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংস এর মোট পরিমাণের পাঁচ শতাংশ,
(খ) উক্ত কোম্পানীর আদায়কৃত মূলধনের দশ শতাংশ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন কার্যকর হইবার তিন বৎসরের মধ্যে প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী এমনভাবে উহার পুঁজিবাজার বিনিয়োগ কোষ পুনর্গঠন করিবে যাহাতে ধারণকৃত সকল প্রকার শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড, ডিবেঞ্চার, মিউচুয়াল ফান্ড ও অন্যান্য পুঁজিবাজার নিদর্শনপত্রের মোট বাজারমূল্য এবং পুঁজিবাজার কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়োজিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা কোম্পানীসমূহ বা অন্য কোন কোম্পানী বা কোম্পানীসমূহে প্রদত্ত ঋণসুবিধা, এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে গঠিত কোন প্রকার তহবিলে প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ সমষ্টিগতভাবে উহার আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংস এর মোট পরিমাণের ২৫ (পঁচিশ) শতাংশের অধিক না হয়।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ম্যানেজার কোন কোম্পানীর পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট থাকেন বা উহাতে তাহার কোন স্বার্থ থাকে, তাহা হইলে, এই আইন প্রবর্তনের তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর মেয়াদ অতিক্রান্ত হইবার পর, সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ম্যানেজার উক্ত কোম্পানীতে কোন শেয়ার ধারণ করিতে পারিবে না।
(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনূর্ধ বিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবে এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয় হইবে।
ঋণ-সীমার সাধারণ সীমাবদ্ধতা
২৬খ। এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন,
(১) কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে প্রদত্ত বা প্রদেয় সকল ঋণ সুবিধার আসল অংকের মোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক রক্ষিত মূলধনের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত হারের অধিক হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত সীমা কোন অবস্থাতেই শতকরা ২৫ ভাগের অধিক হইবে না।
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত বা প্রদেয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত সংজ্ঞা অনুযায়ী নির্ণীত বৃহদাংক ঋণের সর্বমোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর মোট ঋণ ও অগ্রিমের সেই শতাংশ অপেক্ষা অধিক হইবে না যাহা এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হইবে।
(৩) সরকারকে অথবা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নিশ্চয়তার বিপরীতে প্রদত্ত বা প্রদেয় ঋণ কিংবা ১ (এক) বৎসরের চাইতে কম মেয়াদের আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এবং (২) এ বর্ণিত বিধানের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) কোন ব্যাংকিং গ্রুপের ক্ষেত্রে এই ধারায় বর্ণিত সীমাসমূহ কোন পদ্ধতিতে প্রয়োগ হইবে তাহা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই ধারার অধীনে নির্দেশিত হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘গ্রুপ’’ বলিতে কোন ঋণগ্রহীতা এবং তাহার সহিত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত অন্য যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যাহাদের একজনের আর্থিক স্বচ্ছলতা অন্যজনের আর্থিক স্বচ্ছলতাকে প্রভাবিত করে, অথবা তাহাদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের কারণে একজনের দায় বা সুবিধা অন্যজনের উপর বর্তায়, এইরূপ সকলকে বুঝাইবে।
ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সহিত লেনদেন
২৬গ। (১) কোন ব্যাংক কোম্পানী উক্ত ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে এইরূপ কোন লেনদেন করিবে না যাহার শর্তাবলী ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট নহে এমন কোন গ্রাহকের সহিত সম্পাদিত লেনদেনের শর্তাবলী অপেক্ষা সহজতর।
(২) উপরি-উক্ত বিধান সত্ত্বেও, কোন ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বা তাহাদের স্বার্থের অনুকূলে প্রদত্ত ঋণ-সুবিধার মোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর টিয়ার-১ মূলধনের শতকরা ১০ ভাগ এর অধিক হইবে না।
ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘টিয়ার-১ মূলধন’’ অর্থ ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত মূলধন সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালায় সংজ্ঞায়িত টিয়ার-১ মূলধন।
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে এতদুদ্দেশ্যে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ন্যূনতম অংকের ঋণের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তিকে ঋণ প্রদানের পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে প্রদত্ত প্রতিটি ঋণের বিষয়ে যথাশীঘ্র পর্ষদকে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) এই ধারার বিধান লংঘন করিয়া ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে ঋণ প্রদান করা হইলে উহা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করিতে হইবে এবং এইরূপ লংঘন পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদের জ্ঞাতসারে ঘটিয়া থাকিলে তাহারা এককভাবে ও যৌথভাবে উক্ত ঋণের আসল, সুদ ও অন্যান্য সমুদয় চার্জ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবেন।
(৫) ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে ঋণ প্রদানের বিষয়ে এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনায় উল্লিখিত সংজ্ঞা কিংবা অতিরিক্ত শর্তাদি পরিপালনীয় হইবে।
(৬) বাংলাদেশে এক বা একাধিক শাখা পরিচালনাকারী বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধিত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
ব্যাখ্যা।- এই ধারায় ‘‘ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি’’ অর্থে বুঝাইবে-
(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কিংবা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(খ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কিংবা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারকের স্বামী বা স্ত্রী;
(গ) এমন কোন কোম্পানী যেখানে ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক বা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক একজন পরিচালক বা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(ঘ) কোন কোম্পানীতে কোন ব্যাংক-কোম্পানী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ারধারণ করিলে উক্ত কোম্পানীর কোন উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(ঙ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত বিধান অনুযায়ী এমন কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যিনি বা যাহারা দফা (ক)-(ঘ) এ বর্ণিত সম্পর্কের ন্যায় কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সহিত সম্পর্কিত।
ব্যাংক-কর্মচারীর ঋণ-সীমা
২৬ঘ। কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে বা উহার সাবসিডিয়ারী কোম্পানীসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত শর্ত ও সীমার ব্যত্যয় করিয়া কোন ঋণ-সুবিধা প্রদান করিবে না।]
ঋণ ও অগ্রিম প্রদানের উপর বাধা-নিষেধ
২৭৷ ১২২[ (১) কোন ব্যাংক-কোম্পানী,-
(ক) উহার নিজস্ব শেয়ারকে জামানত হিসাবে রাখিয়া কোন ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা প্রদান করিবে না;’’
(খ) ইহার কোন পরিচালককে ‘‘জামানতী ঋণ বা অগ্রিম’’ ব্যতীত অন্য কোনরূপ ঋণ বা অগ্রিম মঞ্জুর করিবে না বা ইহার কোন পরিচালক কর্তৃক দায় গ্রহণের ভিত্তিতে ‘‘জামানতী ঋণ বা অগ্রিম’’ ব্যতীত ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা প্রদান করিবে না;
(গ) বিনা জামানতে নিমণবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোন ঋণ বা অগ্রিম মঞ্জুর করিবে না, অথবা এই সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দায় গ্রহণের ভিত্তিতে কোন ঋণ ও অগ্রিম প্রদান করিবে না,-
(অ) ইহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য;
(আ) এমন কোন বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান বা প্রাইভেট কোম্পানী যাহাতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার কোন পরিচালক বা উহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য পরিচালক, মালিক বা অংশীদার রহিয়াছেন;
(ই) এমন কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, যাহা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার কোন পরিচালক বা উহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য কর্তৃক কোনভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, অথবা যাহাতে উক্ত ব্যক্তিদের এমন পরিমাণ শেয়ার থাকে যাহা দ্বারা তাহারা অন্যূন বিশ শতাংশ ভোটদান ক্ষমতার অধিকারী হন।]
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট পরিচালক ব্যতীত অন্যান্য পরিচালকগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুমোদন ব্যতিরেকে, কোন ১২৩[ ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা] প্রদান করিবে না,-
(ক) উহার কোন পরিচালক, বা
(খ) এমন কোন ব্যক্তি, বাণিজ্য-প্রতিষ্ঠান, কোন কোম্পানী, যাহার সহিত বা যাহাতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক-অংশীদার, পরিচালক বা জামীনদাতা হিসাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রহিয়াছে৷
ব্যাখ্যা৷- এই ১২৪[ ধারায়] ‘পরিচালক’ বলিতে পরিচালরে স্ত্রী, স্বামী, পিতা, মাতা, ১২৫[ পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন, ১২৬[ এবং ঐ পরিচালকের উপর নির্ভরশীল সকলকে]] বুঝাইবে৷
(৩) ১২৭[ ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ১১ নং আইন) এর ১৯ ধারাবলে বিলুপ্ত৷]
(৪) ১২৮[ প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক], প্রত্যেক মাস শেষ হওয়ার পূর্বে, উহার পূর্ববর্তী মাসের একটি বিবরণী বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে, এবং উক্ত বিবরণীতে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহের উল্লেখ থাকিবে,-
(ক) এমন কোন প্রাইভেট বা পাবলিক কোম্পানীকে মঞ্জুরীকৃত ঋণ বা অগ্রিম যাহাতে ব্যাংক-কোম্পানীটি বা উহার কোন পরিচালক উক্ত কোম্পানীর পরিচালক হিসাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রহিয়াছেন; এবং
(খ) এমন পাবলিক কোম্পানীকে মঞ্জুরীকৃত ঋণ বা অগ্রিম যাহাতে ব্যাংক-কোম্পানীটি বা উহার কোন পরিচালক ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধি বা জামিনদার হিসাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রহিয়াছেন৷
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন দাখিলকৃত কোন বিবরণী পরীতগান্ত্মে যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী উহার আমানতকারীগণের স্বার্থ হানি করিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোন ঋণ বা অগ্রিম প্রদান করিয়াছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত আদেশ দ্বারা এই প্রকার আর কোন ঋণ বা অগ্রিম প্রদান না করার জন্য উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপ ঋণ বা অগ্রিম প্রদানের উপর বাধা-নিষেধ আরোপ করিতে পারিবে, এবং উক্ত আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রকার প্রদত্ত ঋণ ও অগ্রিম আদায় নিশ্চিত করিবার জন্যও উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে৷
দেনাদার কোম্পানীর পরিচালকের উপর বিধি-নিষেধ
১২৯[ ২৭ক৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ঋণদাতা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৩০[ ঋণ বা বিনিয়োগ অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের একস্তর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন] ব্যতীত কোন দেনাদার কোম্পানীর কোন পরিচালকের পদত্যাগ কার্যকর হইবে না এবং কোন পরিচালক তাঁহার শেয়ার হস্তান্তর বা বিক্রয় করিতে পারিবেন না৷
খেলাপী ঋণ গ্রহীতার তালিকা, ইত্যাদি
২৭কক৷ (১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সময় সময়, উহার খেলাপী ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সকল ব্যাংক-কোম্পানী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করিবে৷
(৩) কোন খেলাপী ঋণ গ্রহীতার অনুকূলে কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনরূপ ঋণ সুবিধা প্রদান করিবে না৷
(৪) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, খেলাপী ঋণ গ্রহীতার বিরুদ্ধে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক-কোম্পানী বা, ক্ষেত্রমত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রচলিত আইন অনুসারে মামলা দায়ের করিবে৷]
ঋণ মওকুফের উপর বাধা-নিষেধ
২৮৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার নিকট হইতে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত ১৩১[ ঋণ বা উহার অংশ বা উহার উপর অর্জিত সুদ] মওকুফ করিবে না,-
(ক) উহার কোন পরিচালক, এবং তাঁহার পরিবারের সদস্যবর্গ;
(খ) এমন কোন বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যাহাতে ব্যাংক-কোম্পানীটির কোন পরিচালক, জামিনদার, পরিচালক-অংশীদার, ম্যানেজিং এজেন্ট হিসাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রহিয়াছেন; এবং
(গ) এমন কোন ব্যক্তি যাহার সহিত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক, অংশীদার বা জামিনদার হিসাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রহিয়াছে৷
১৩২[ (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘনক্রমে কোনরূপ মওকুফ করা হইলে উহা অবৈধ হইবে, এবং অনুরূপ মওকুফের জন্য উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাহাদের প্রত্যেকে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং অনুর্ধ্ব তিন বৎসর কারাদন্ডে বা অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।]
১৩৩[ ব্যাখ্যা।- এই ধারায় ‘‘পরিচালক’’ বলিতে পরিচালকের স্ত্রী, স্বামী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন এবং ঐ পরিচালকের উপর নির্ভরশীল সকলকে বুঝাইবে।]
মন্দ বা কু-ঋণ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
১৩৪[ ২৮ক৷ এই আইন বা অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক উহার নিকট হইতে গৃহীত কোন ঋণ, অগ্রীম বা অন্য কোন পাওনা অবলোপন (write off) করা হইলেও, উক্ত অবলোপন সংশ্লিষ্ট ঋণ, অগ্রিম বা পাওনা আদায়ের আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণের তেগত্রে অন্তরায় হইবে না৷]
অগ্রিম প্রদান নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা
২৯৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অগ্রিম প্রদানের ব্যাপারে সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক বা বিশেষভাবে কোন নির্দিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক অনুসরণীয় কিছু নীতি নির্ধারণ করা প্রয়োজনীয় অথবা সমীচীন, তাহা হইলে উহা অনুরূপ নীতি নির্ধারণ করিতে পারিবে, এবং এইরূপ কোন নীতি নির্ধারিত হইলে, তাহা সকল অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী অনুসরণ করিতে বাধ্য থাকিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতায় সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানী বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানী বা বিশেষ শ্রেণীর ব্যাংক-কোম্পানীকে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহে বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণীয় নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে,-
(ক) প্রদেয় ঋণের সর্বোচ্চ সীমা;
(খ) অগ্রিমের মোট পরিমাণ এবং স্বল্প পরিমাণের বা অন্যবিধ ঋণের মধ্যে বজায়তব্য অনুপাত;
(গ) যে সকল উদ্দেশ্যে অগ্রিম প্রদেয় বা প্রদেয় নয়;
(ঘ) কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা কোন বিশেষ শ্রেণীর ব্যাংক-কোম্পানী বা ব্যক্তি বা ব্যক্তি-গোষ্ঠীকে প্রদেয় অগ্রিমের সর্বোচ্চ সীমা;
১৩৫[ (ঙ) অগ্রিমের জন্য জামানত এবং রতিগতব্য মার্জিন, এবং]
(চ) অগ্রিমের উপর আরোপনীয় সুদের হার৷
(৩) উপ-ধারা (২) এর দফা ১৩৬[ (ক) হইতে (চ)] তে উল্লেখিত বিষয়ে কোন নির্দেশ পালনে কোন ব্যাংক-কোম্পানী ব্যর্থ হইলে তজ্জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, তত্কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট জমা দিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে; এবং উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অনুরূপ নির্দেশ, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, পালন করিতে বাধ্য থাকিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যে পরিমাণ অর্থের ব্যাপারে উক্ত ব্যর্থতা সংঘটিত হইয়াছে তাহা অপেক্ষা বেশী পরিমাণ অর্থ জমা দিবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে না৷
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ বা উহার অংশ বিশেষ যে কোন সময় বাংলাদেশ ব্যাংক, লিখিত আদেশ দ্বারা, জমাদানকারী ব্যাংক-কোম্পানীর বরাবরে, নিঃশর্তে বা শর্ত সাপেক্ষে, অবমুক্ত করিয়া দিতে পারিবে৷
সুদের হার সম্পর্কে আদালতের এখ্‌তিয়ার
৩০৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যাংক-কোম্পানী এবং ইহার কোন দেনাদারের মধ্যে লেনদেনে ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ধার্য্যকৃত সুদ অতিমাত্রায় বেশী ছিল ১৩৭[ এবং ইসলামী ১৩৮[ শরীয়াহ] মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকের ব্যবসায়িক লেনদেনে উচ্চ মুনাফা বা ভাড়ার হার ছিল শুধুমাত্র এই কারণে] উক্ত লেনদেনের বিষয়টি কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে না৷
ব্যাংক-কোম্পানীর লাইসেন্স
৩১৷ (১) অতঃপর বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত, কোন ১৩৯[ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী] বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে প্রদত্ত লাইসেন্স ব্যতীত বাংলাদেশে কোন ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবে না৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন লাইসেন্স প্রদানের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক উহার বিবেচনায় সংগত যে কোন শর্ত আরোপ করিতে পারিবে৷
(৩) এই ১৪০[ আইন] প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত প্রবর্তন হইতে ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে, এবং অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশে উহার ব্যাংক ব্যবসা আরম্ভ করিবার পূর্বে, এই ধারার অধীন লাইসেন্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, উপধারা (১) এর কোন কিছুই এই আইন প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবসা চালাইয়া যাইতে কোন বাধা হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি-
(ক) এই ধারার অধীন উহার আবেদন বিবেচনাধীন থাকে, বা
(খ) লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাইবে না এই মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উহাকে নোটিশের মাধ্যমে জানাইয়া দেওয়া না হইয়া থাকে :
আরও শর্ত থাকে যে, ধারা ১৪১[ ১৩] এ উল্লেখিত বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে এই আইন প্রবর্তনের দুই বত্সর, এবং উক্ত ধারায় উল্লেখিত বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উক্ত প্রবর্তনের ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে, বা উক্ত ধারার শর্তাংশ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বর্ধিত সময় অতিবাহিত হইবার পূর্বে, বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত নোটিশ প্রদান করিবে না৷
(৪) এই ধারার অধীন লাইসেন্স প্রদানের পূর্বে নিম্নবর্ণিত সকল বা কোন শর্ত পূরণ করা হইয়াছে কি না তত্সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর নথিপত্র পরিদর্শনের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক-কে সন্তুষ্ট হইতে হইবে, যথা :-
(ক) কোম্পানী উহার বর্তমান ও ভবিষ্যত্ আমানতকারীদের দাবী পূর্ণভাবে মিটাইতে সতগম;
(খ) কোম্পানীর কাজকর্ম উহার বর্তমান বা ভবিষ্যত্ আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী পদ্ধতিতে পরিচালিত হইতেছে না বা হইবার সম্ভাবনা নাই;
১৪২[ (গ) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধিত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, কোম্পানীটি যে দেশে নিবন্ধনকৃত সেই দেশের সরকার বা আইন বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে সেই সকল সুবিধা প্রদান করে যে সব সুবিধা বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোম্পানীটিকে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশী আইন প্রদান করে, এবং কোম্পানীটি বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোম্পানীর ব্যাপারে এই আইনের যে সকল বিধান প্রযোজ্য সে সকল বিধান মানিয়া চলে।]
(৫) এই ধারার অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে প্রদত্ত লাইসেন্স বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নলিখিত কারণে বাতিল করিতে পারে, যথা :-
(ক) যদি উক্ত কোম্পানী বাংলাদেশে উহার ব্যাংক ব্যবসা বন্ধ করিয়া দেয়;
(খ) যদি কোন সময় ১৪৩[ উপ-ধারা (২)] এর অধীনে আরোপিত কোন শর্ত উক্ত কোম্পানী পালন করিতে ব্যর্থ হয়; বা
(গ) যদি কোন সময় উক্ত কোম্পানী উপ-ধারা (৪)এ উল্লেখিত কোন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয় :
তবে শর্ত থাকে যে, দফা (খ) ও (গ) এর অধীন কোন লাইসেন্স বাতিল করিবার পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, তত্কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাধীনে উক্ত দফাসমূহের বিধানাবলী পালন বা পূরণ করিবার জন্য প্রয়োজনীয় পদতেগপ গ্রহণের সুযোগ প্রদানজনিত বিলম্ব উক্ত কোম্পানীর আমানতকারীদের বা জনস্বার্থের পরিপন্থী হইবে না, তাহা হইলে উক্ত বিধানাবলী পালন বা পূরণ করিবার সুযোগ দিবে৷
(৬) এই ধারার অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীর লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের ফলে কোন ব্যাংক-কোম্পানী সংতক্ষুব্ধ হইলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত উহাকে গোচরীভূত করিবার তারিখের ত্রিশ দিনের মধ্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী ১৪৪[ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট তাহা পুনর্বিবেচনার আবেদন] করিতে পারিবে৷
১৪৫[ ***]
নূতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু বা বর্তমান ব্যবসা কেন্দ্র স্থানান্তরের উপর বাধা-নিষেধ
৩২৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে-
(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশের কোথাও কোন নূতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু করিবে না এবং বিদ্যমান ব্যবসা কেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন করিবে না; এবং
(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশের বাহিরে কোন নূতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু করিবে না এবং বাংলাদেশের বাহিরে বিদ্যমান ব্যবসা কেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন করিবে না৷
(২) কোন প্রদর্শনী, মেলা, সম্মেলন বা অনুরূপ অন্য কোন অনুষ্ঠান উপলত্মেগ জনসাধারণকে সাময়িকভাবে ব্যাংকের সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে অনধিক এক মাসের জন্য নূতন ব্যবসা কেন্দ্র চালু করা হইলে সেই ত্মেগত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ব্যবসা চালু করিবার এক সপ্তাহের মধ্যে তত্সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক-কে জানাইতে হইবে৷
(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উপ-ধারা (১) এ উল্লেখিত অনুমতি প্রদানের পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনবোধে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কোন বিষয়ে ধারা ৪৪ এর অধীন পরিদর্শনের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে ১৪৬[ জানিয়া নিতে] পারিবে৷
সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ সংরক্ষণ
৩৩৷ (১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী চলতি বাজার দরে বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরে এই পরিমাণ নগদ অর্থ বা স্বর্ণ বা দায়মুক্ত অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র সংরত্মগণ করিবে যাহার মূল্য উহার যে কোন কার্য দিবসের সমাপ্তিতে উহার সমুদয় মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়ের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারের কম হইবে না৷
ব্যাখ্যা৷- এই ধারায় “দায়হীন অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র” বলিতে এইরূপ সম্পত্তির অনুমোদিত নিদর্শন-পত্রকেও বুঝাইবে, যাহা উক্ত ব্যাংক কর্তৃক কোন অগ্রিম বা অন্যবিধ ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট জমা রাখা হইয়াছে; তবে এইরূপ নিদর্শন-পত্রের মূল্যের সেই পরিমাণ এই সংজ্ঞার অন্ত্মর্ভুক্ত হইবে যে পরিমাণ অর্থ উক্ত নিদর্শন-পত্রের বিপরীতে গ্রহণ করা হয় নাই৷
১৪৭[ (২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক Bangladesh Bank Order,1972 (P.O No. 127 of 1972) এর section 36 কিংবা ধারা ২৫ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট চলতি হিসাবে রক্ষিত নগদ জমার অতিরিক্ত অর্থ এবং নিজের নিকট বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন প্রতিনিধি ব্যাংকের নিকটে চলতি হিসাবে জমা অর্থ এবং/বা বাংলাদেশ ব্যাংকে লাভ-ক্ষতির ভাগাভাগি ভিত্তিক জমা হিসাবে রক্ষিত অর্থ বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন হিসাবে রক্ষিত অর্থ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অর্থ গণনার ক্ষেত্রে নগদ অর্থ হিসাবে গণ্য হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারায় ‘‘প্রতিনিধি ব্যাংক’’ বলিতে কোন তফসিলি ব্যাংক-কোম্পানীর এমন শাখাকে বুঝাইবে যাহা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ক্লিয়ারিং হাউজ পরিচালনা করে।]
(৩) সম্পদ ও দায় নিরূপণ পদ্ধতি এবং শ্রেণীভিত্তিতে সংরক্ষণযোগ্য সম্পদের অনুপাত বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে;
ব্যাখ্যা৷- এই ধারায় “দায়হীন অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র” বলিতে এইরূপ সম্পত্তির অনুমোদিত নিদর্শন-পত্রকেও বুঝাইবে, যাহা উক্ত ব্যাংক কর্তৃক কোন অগ্রিম বা অন্যবিধ ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট জমা রাখা হইয়াছে; তবে এইরূপ নিদর্শন-পত্রের মূল্যের সেই পরিমাণ এই সংজ্ঞার অন্ত্মর্ভুক্ত হইবে যে পরিমাণ অর্থ উক্ত নিদর্শন-পত্রের বিপরীতে গ্রহণ করা হয় নাই৷
(ক) এই ধারা মোতাবেক সংরক্ষিত উহার সম্পদ; এবং
(খ) মাসের প্রতি বৃহস্পতিবারের সমাপ্তিতে এবং কোন বৃহস্পতিবার Negotiable Instruments Act, 1881 (XXVI of 1881) এর অধীনে সরকারী ছুটির দিন থাকিলে, উহার পূর্ববর্তী কার্যদিবসের সমাপ্তিতে, বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরে উহার মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়৷
(৫) যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী নির্ধারিত বিনিময়যোগ্য সম্পদ সংরক্ষণ করিতে কোন সময়ে ব্যর্থ হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানী উল্লিখিত সম্পদের ঘাটতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ প্রদানের জন্য ধার্যকৃত ১৪৮[ ***] হারে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকিবে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ সম্পদ
৩৪৷ (১) যে কোন কার্য দিবসের সমাপ্তিতে প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানীর বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরস্থ সম্পদের মূল্য বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরে উহার বিদ্যমান মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়ের সেই পরিমাণ অপেত্মগা কম থাকিবে না যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত ১৪৯[ শতাংশ] কোন অবস্থাতেই উক্ত দায়ের ৮০% এর বেশী হইবে না৷
(২) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী, প্রতিটি মাস শেষ হইবার পূর্বে, উহার পূর্ববর্তী মাসের একটি বিবরণী, যাহাতে নিম্নলিখিত তথ্যাদি থাকিবে, নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে, যথা:-
(ক) এই ধারা মোতাবেক উহার সংরক্ষিত সম্পদ;
(খ) মাসের প্রতি বৃহস্পতিবারের সমাপ্তিতে এবং কোন বৃহস্পতিবার Negotiable Instruments Act, 1881 (XXVI of 1881) এর অধীনে সরকারী ছুটির দিন থাকিলে, উহার পূর্ববর্তী কার্যদিবসের সমাপ্তিতে, বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরে উহার মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়৷
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-
(ক) নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিল বা জামানত বাংলাদেশের বাহিরে ধারণকৃত হওয়া সত্বেও উহা বাংলাদেশের অভ্যন্ত্মরস্থ সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে, যদি-
(অ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত মুদ্রায় কোন রপ্তানী বিল বাংলাদেশে দাবীকৃত হয় বা কোন আমদানী বিল বাংলাদেশে দাবীকৃত ও পরিশোধযোগ্য হয়; এবং
(আ) কোন সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে কোন সম্পদকে যদি যথার্থ অর্থে সম্পদ বলিয়া গণ্য করা না যায়, তাহা হইলে উহা উক্তরূপ সম্পদ বলিয়া গণ্য হইবে না৷
১৫০[ (খ) ‘‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দায়’’ অর্থে আদায়কৃত মূলধন ও সংরক্ষিত সঞ্চিতিসমূহ বা ব্যাংক-কোম্পানীর লাভ-ক্ষতির হিসাবে উল্লিখিত আকলন স্থিতি অন্তর্ভুক্ত হইবে না।]

<script async src=”//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”></script>
<script>
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
google_ad_client: “ca-pub-9553086396826140”,
enable_page_level_ads: true
});
</script>

অদাবীকৃত আমানত এবং মূল্যবান সামগ্রী
৩৫৷ (১) যেক্ষেত্রে-
(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কোন বাংলাদেশী শাখায় সরকার, নাবালক বা আদালতের অর্থ ব্যতীত অন্য কাহারো ১৫১[ ***] পরিশোধযোগ্য অর্থের ব্যাপারে নিম্ন উল্লিখিত তারিখ হইতে দশ বৎসর পর্যন্ত যোগাযোগ করা না হয়, যথা :-
(অ) নির্দিষ্ট মেয়াদী আমানতের ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ অতিক্রান্ত হইবার তারিখ হইতে, এবং
(আ) অন্য কোন আমানতের ক্ষেত্রে, সর্বশেষ লেনদেন বা হিসাব বিবরণীর সর্বশেষ প্রাপ্তি স্বীকার বা উক্ত বিবরণীর জন্য সর্বশেষ অনুরোধের তারিখ হইতে; বা
(খ) কোন আমানতের উপর প্রদেয় ডিভিডেন্ড, বোনাস, লাভ বা পরিশোধযোগ্য অন্য কোন অর্থ যে তারিখে প্রদানযোগ্য বা দাবীযোগ্য হয় সে তারিখ হইতে দশ বত্সর পর্যন্ত্ম অপরিশোধকৃত থাকে, বা দাবী করা না হয়;বা
(গ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর এক শাখা কর্তৃক উহার অন্য শাখার নিকট ১৫২[ ***] পরিশোধযোগ্য চেক, ড্রাফ্‌ট বা বিনিময় দলিল, প্রেরণ করা হইলে, উক্ত চেক, ড্রাফ্‌ট বা দলিল ইস্যু, প্রত্যয়ন বা গ্রহণ করার তারিখ হইতে দশ বত্সর পর্যন্ত উহাদের বাবদ অর্থ প্রদান না করা হয়; বা
(ঘ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরাপদ জিম্মায় রক্ষিত অনুমোদিত সম্পত্তি-নিদর্শন-পত্র, শেয়ার, পণ্য বা কোন মূল্যবান সামগ্রী, অতঃপর যৌথভাবে এবং এককভাবে মূল্যবান সামগ্রী বলিয়া উল্লিখিত, আমানতকারী কর্তৃক সর্বশেষ পরিদর্শন বা স্বীকৃতি প্রদানের তারিখ হইতে দশ বত্সর পর্যন্ত্ম পরিদর্শিত বা স্বীকৃত না হয়;
সেই ক্ষেত্রে উক্ত অর্থ, চেক, ড্রাফ্‌ট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদার বা পাওনাদারের পত্মেগ কোন ব্যক্তিকে এবং মূল্যবান সামগ্রীর আমানতকারীকে তাঁহার দেওয়া বা প্রেরিত সর্বশেষ ঠিকানায় প্রেরিত ব্যাংক-কোম্পানীর প্রাপ্তি স্বীকার রশিদসহ রেজিষ্ট্রিকৃত ডাকযোগে তিন মাসের লিখিত নোটিশ প্রেরণ করিবে ১৫৩[ ;
ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদারের ঠিকানা পাওয়া না গেলে আবেদনকারীর ঠিকানায় অনুরূপ নোটিস প্রেরণ করিবে।]
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নোটিশ প্রেরণের তিনমাস অতিক্রান্ত্ম হওয়ার পরেও যদি উহার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র বা কোন উত্তর না আসে, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানী, ক্ষেত্রমত, নিম্নরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে, যথা :-(ক)
উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত অর্থের ত্মেগত্রে সুদসহ উক্ত অর্থের সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক-কে প্রদান করিবে;
(খ) উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত চেক, ড্রাফ্‌ট বা বিনিময় দলিলের ক্ষেত্রে, উহা উপস্থাপিত হইলে যে পরিমাণ অর্থ, সুদ থাকিলে তাহাসহ, উক্ত ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় হইত, সেই পরিমাণ অর্থ ও সুদ বাংলাদেশ ব্যাংক-কে প্রদান করিবে;
(গ) উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষেত্রে, উহা যে দেনা, দলিল বা ব্যবস্থাধীনে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর জিম্মায় রক্ষিত আছে সেই দেনা, দলিল বা ব্যবস্থার শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট হস্তান্তর করিবে; এবং অনুরূপভাবে প্রদান বা হস্তান্তরের পর উক্ত অর্থ, চেক, ড্রাফ্‌ট বা বিনিময় দলিল বা মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে উক্ত কোম্পানীর আর কোন দায় দায়িত্ব থাকিবে না৷
১৫৪[ (ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী তাহাদের ওয়েবসাইটে প্রেরিত অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা ১ (এক) বৎসর যাবৎ প্রকাশ করিবে।]
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে প্রদেয় নোটিশ,-
(ক) কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, উহার যে কোন সদস্য বা ম্যানেজারের নিকট, কোন হিন্দু যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে, উহার কোন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট, এবং ব্যক্তি সমন্বয়ে গঠিত অন্য কোন সমিতির ক্ষেত্রে, উহার মূখ্য কর্মকর্তার নিকট, প্রেরণ করা যাইবে;
(খ) উহার প্রাপক কর্তৃক যথাযথভাবে ক্ষমতা প্রদত্ত প্রতিনিধকে বা, উক্ত প্রাপক মৃত হইলে, তাঁহার বৈধ প্রতিনিধকে, বা উক্ত প্রাপক দেউলিয়া ঘোষিত হইয়া থাকিলে, তাঁহার স্বত্ব-নিয়োগীকে, প্রদান করা যাইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রাপক কর্তৃক প্রতিনিধি নিয়োগের বা প্রাপকের মৃত্যু বা তাঁহার দেউলিয়া ঘোষিত হইবার বিষয়টি ব্যাংক-কোম্পানীর গোচরে থাকিতে হইবে;
(গ) চেক বা ড্রাফ্‌ট বা বিনিময় বিলের যুগ্ম-পাওনাদার বা একাধিক সুবিধা প্রাপক থাকিলে, বা মূল্যবান সামগ্রী একাধিক ব্যক্তির নামে রক্ষিত থাকিলে, তাঁহাদের যে কোন একজনকে প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(ঘ) উহার খাম বা আবরণীটিতে যথাযথভাবে প্রাপকের ঠিকানা লিখিত, ডাক-টিকেট লাগানো এবং উহা ডাক বাক্সে ফেলা হইয়া থাকিলে, উক্ত নোটিশ অন্য কোন ব্যক্তির নিকট পৌঁছানো সত্বেও অথবা উহার প্রাপকের মৃত্যু, মস্ত্মিস্ক-বিকৃতি, বা দেউলিয়া হওয়া সত্বেও, যদি ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত বিষয়ে নোটিশ প্রদানের পূর্বে অবহিত না হইয়া থাকে, অথবা নোটিশ সম্বলিত উক্ত খামটি বা আবরণীটি ডাক বিভাগ কর্তৃক “প্রাপককে পাওয়া গেল না” এই মর্মে বা অনুরূপ অন্য কোন মর্মে কোন বিবৃতি লিপিবদ্ধ হওয়া সত্বেও, উক্ত খাম বা আবরণী যে তারিখে ডাক বাক্সে ফেলা হইয়াছিল সেই তারিখের পর হইতে পনর দিন পরে, উক্ত নোটিশ যথাযথভাবে জারী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷
(৪) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পত্মেগ লিখিত কোন চিঠির উপর ঠিকানা লেখা, ডাক টিকিট লাগানো এবং উহা ডাকযোগে প্রেরণের জন্য দায়িত্বসম্পন্ন কর্মচারীর দস্ত্মখতে যদি এই মর্মে প্রত্যয়ন থাকে যে, উপধারা (১) এর অধীন প্রদেয় নোটিশ সম্বলিত খামে বা আবরণীটিতে যথাযথভাবে ঠিকানা লেখা বা ডাক টিকিট লাগানো হওয়ার পর উহা ডাক বাক্সে ফেলা হইয়াছে, তাহা হইলে অনুরূপ প্রত্যয়ন উক্ত নোটিশ প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত্ম সাত্মগ্য হিসাবে গণ্য হইবে৷
(৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংক-কে উপ-ধারা (২) এর অধীনে অর্থ প্রদানের সংগে সংগে, সংশ্লিষ্ট ঋণের শর্তাবলীতে বা কোন দলিলে বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান থাকা সত্বেও, উক্ত অর্থের উপর কোন সুদ প্রদেয় বা লাভ-ক্ষতি গণনা করা হইবে না৷
(৬) কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক-কে উপ-ধারা (২) এর অধীনে কোন অর্থ প্রদান বা দলিল বা মূল্যবান সামগ্রী হস্ত্মান্ত্মরের পর উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী এতদ্‌সংক্রান্ত্ম স্বাক্ষর কার্ড, স্বাক্ষরের কর্তৃত্ব সম্পর্কিত দলিল এবং অন্যান্য দলিল সংরক্ষণ করিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে অনুরূপ সংরক্ষণের প্রয়োজন নাই বলিয়া না জানানো পর্যন্ত্ম উহাদিগকে অব্যাহতভাবে সংরক্ষণ করিবে৷
(৭) Limitation Act, 1908 (IX of 1908) বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনের কোন কিছুই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন ব্যাংক-কোম্পানীর দায় ক্ষুণ্ন করিবে না৷
(৮) উপ-ধারা (১) অনুসারে, গণনা করিয়া দশ বত্সর অতিবাহিত হইবার পর যে সব দাবীহীন অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী অপরিশোধিত, বা ক্ষেত্রমত, অফেরত্ অবস্থায় কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিকট থাকে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী, প্রত্যেক পঞ্জিকা বত্সর শেষ হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে, বিধিদ্বারা নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে, সেই সকল অর্থ বা সামগ্রীর একটি বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে৷
(৯) উপ-ধারা (২) এর অধীনে যে সকল অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হইবে, উহাদের একটি তালিকা উক্ত ব্যাংক, সরকারী গেজেটে এবং অন্যুন দুইটি দৈনিক পত্রিকায়, প্রতি তিন মাসে একবার করিয়া ১৫৫[ অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে] এক বত্সর ধরিয়া প্রকাশ করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক যদি এই মর্মে সিদ্ধান্ত্ম গৃহীত হয় যে, তত্কর্তৃক নির্ধারণকৃত কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর জন্য তালিকা প্রকাশ করার প্রয়োজন নাই, তাহা হইলে অনুরূপ দাবীহীন অর্থ বা সামগ্রীর জন্য তালিকা প্রকাশ করার প্রয়োজন হইবে না৷
(১০) যে ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট জমা রাখে সেই ব্যাংক-কোম্পানী, অনুরূপভাবে জমা রাখিবার পর হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের উক্ত অর্থ বা সামগ্রীর উপর পূর্বস্বত্ব বা পাল্টাদাবী বা উহাকে পৃথক করিয়া রাখার দাবী করিতে পারে৷
(১১) উপ-ধারা (২) এর অধীন জমাকৃত অর্থ বা হস্ত্মান্ত্মরিত মূল্যবান সামগ্রীর অধিকারী বলিয়া কোন ব্যক্তি দাবী করিলে তিনি তাঁহার দাবী বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট উপস্থাপন করিতে পারিবেন৷
(১২) উপ-ধারা (১০), (১৩) ও (১৫) এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১০) ও উপ-ধারা (১১) এর অধীন উপস্থাপিত দাবীর উপর বাংলাদেশ ব্যাংক তত্কর্তৃক সমীচীন বলিয়া বিবেচিত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, এবং উপ-ধারা (১১) এর অধীন উত্থাপিত কোন দাবীর প্রেত্মিগতে বাংলাদেশ ব্যাংক কোন অর্থ প্রদান বা মূল্যবান সামগ্রী বিলি করিলে উহার গ্রহীতার প্রাপ্তি রশিদ ঐ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব মোচন করিবে৷
(১৩) বাংলাদেশ ব্যাংকে উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত অর্থ বা হস্তান্তরিত মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে অনুরূপ প্রদান বা হস্তান্তরের পর হইতে ১৫৬[ দুই বৎসরের] মধ্যে যদি কোন বিরোধ কোন আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকে এবং উক্ত বিরোধ সম্পর্কে আদালত হইতে বা অন্য কোন সূত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অবহিত হয়, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত অর্থ বা সামগ্রী নিজের তত্বাবধানে রাখিবে এবং আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক উহার বিলি বন্দোবস্ত করিবে৷
(১৪) উপ-ধারা (১০), (১৩) এবং (১৫) এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত অর্থ বা হস্তান্তরিত মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর হইতে ১৫৭[ দুই] বত্সরের মধ্যে উক্ত অর্থ বা সামগ্রী সম্পর্কে যদি কোন দাবী উত্থাপতি না হয় বা কোন তরফ হইতে বাংলাদেশ ব্যাংক-কে অবহিত করা না হয়, তাহা হইলে উক্ত ১৫৮[ দুই] বত্সর অতিবাহিত হইবার পর হইতে উক্ত অর্থ বা সামগ্রীর উপর কাহারো কোন দাবী থাকিবে না এবং উহা সরকারের সম্পত্তি হইবে এবং সরকারের উপর উহা ন্যস্ত হইবে৷
১৫৯[ (১৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক চেক, ড্রাফট বা বিনিময় বিলের কোন পাওনাদার বা সুবিধা প্রাপককে বা যে ব্যক্তির নামে কোন মূল্যবান সামগ্রী রহিয়াছে সেই ব্যক্তিকে নোটিস প্রদানের সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অদাবীকৃত অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা প্রকাশ সম্পর্কে উপ-ধারা (৯) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপাততঃ বাংলাদেশে বসবাস না করার ক্ষেত্রে ও তাহা ব্যাংকের গোচরে থাকিলে, কোন আমানত, দলিল বা মূল্যবান সামগ্রীর বিলি-বন্দোবস্তের ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও নিয়মাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।]
(১৬) উপ-ধারা (২) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক গৃহীত কোন অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর ব্যাপারে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পূর্বস্বত্ব, পাল্টা দাবী বা পৃথক করিয়া রাখার দাবী অনুমোদন, পূরণ বা অন্য কিছু, বা ক্ষেত্রমত, কোন ব্যক্তির অধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে উপ-ধারা (১২) মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত্ম চূড়ান্ত্ম হইবে, এবং উক্ত সিদ্ধান্ত্ম সম্পর্কে, উপ-ধারা (১৭) তে বিধৃত পদ্ধতি ব্যতীত অন্য কোনভাবে কোন আদালত, ট্রাইবুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা চলিবে না৷
(১৭) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উপ-ধারা (১২) এর অধীন প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত্মের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি উক্ত সিদ্ধান্ত্মের বিরুদ্ধে, সিদ্ধান্ত্ম প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, উক্ত ব্যাংকের গভর্ণর কর্তৃক নির্দিষ্ট কোন কর্মকর্তা, যিনি সিদ্ধান্ত্ম প্রদানকারী কর্মকর্তা অপেক্ষা উচ্চতর পদমর্যাদা সম্পন্ন হইবেন, এর নিকট আপীল দায়ের করিতে পারিবেন৷
(১৮) উপ-ধারা (১০) বা (১১) এর অধীন উত্থাপিত কোন দাবী বা উপ-ধারা (১৭) এর অধীন দায়েরকৃত কোন আপীল মীমাংসা বা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে এবং কোন মামলার বিচারের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহে বাংলাদেশ ব্যাংক ঐ সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিবে যে সকল ক্ষমতা Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এর অধীন কোন দেওয়ানী আদালতের রহিয়াছে, যথা :-
(ক) কোন ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শপথের মাধ্যমে তাঁহার সাক্ষ্য গ্রহণ;
১৬০[ (খ) প্রামাণিক দলিল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণাদি উপস্থাপনে বাধ্যকরণ;]
(গ) সাত্মগীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ৷
(১৯) এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিষ্পত্তিযোগ্য কোন কার্যধারা Penal Code, 1860 (Act No. XLV of 1860) এর Section 228 এর বিধান মোতাবেক Judicial proceeding হিসাবে গণ্য হইবে এবং এই ধারার অধীন উক্ত কোন কার্যধারার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Section 480 এর বিধান মোতাবেক একটি Civil Court হিসাবে গণ্য হইবে৷
(২০) এই ধারার অধীন কোন কার্যধারায় কোন দলিল দাখিল, প্রদর্শন বা লিপিভুক্ত করার জন্য বা বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে কোন দলিল গ্রহণের জন্য কোন কোর্ট ফি প্রদান করিতে হইবে না৷
ষান্মাসিক বিবরণী ইত্যাদি
৩৬৷ ১৬১[ (১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার সম্পদ ও দায় সম্পর্কে প্রতি বৎসরে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে একটি বিবরণী নির্ধারিত ফরম ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে।]
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত নোটিশ দ্বারা সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে এবং বিশেষভাবে কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে তত্কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহাদের দ্বারা পরিচালিত অন্য কোন ব্যবসাসহ ব্যাংক-ব্যবসা সম্পর্কিত বিবরণী ও তথ্যাদি দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারিবে৷
(৩) উপ-ধারা (২) তে প্রদত্ত ত্মগমতার সামগ্রিকতাকে ত্মগুণ্ন না করিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক সময় সময় শিল্প, বাণিজ্য ও কৃষি ত্মেগত্রে ব্যাংক-কোম্পানীর বিনিয়োগের উপর তথ্য আহ্বান করিতে পারিবে৷
তথ্যাদি প্রকাশের ক্ষমতা
১৬২[ ৩৭। বাংলাদেশ ব্যাংক, জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে, ধারা ২৭কক এর উপ-ধারা (১) এর আওতায় প্রাপ্ত খেলাপী ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা এবং এই আইনের অধীন সংগৃহীত ৩০ দিনের অধিক সময় অনাদায়ী ঋণ ও অগ্রিম সম্পর্কিত কোন তথ্য কিংবা ব্যাংক ব্যবসা সম্পর্কিত যে কোন তথ্য একীভূত অবস্থায় বা অন্য কোনভাবে প্রকাশ করিতে পারিবে।]
হিসাব ও ব্যালেন্সসীট
৩৮৷ (১) বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী কোন ১৬৩[ ইংরেজী পঞ্জিকা বৎসর] অতিবাহিত হইবার পর উক্ত বত্সরে উহা, বা উহার শাখা কর্তৃক, কৃত ব্যবসা সম্পর্কে একটি ব্যালেন্সসীট ও লাভ-ত্মগতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন বত্সরের শেষ কার্যদিবসে যেভাবে দাঁড়ায় সেইভাবে প্রথম তফসিলের ফরমে, যতদূর সম্ভব, প্রস্তুত করিবে৷
১৬৪[ (১ক) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন, ২০১৫ এর ধারা ২(৮) এ সংজ্ঞায়িত জনস্বার্থ সংস্থা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত কোন ব্যাংকিং কোম্পানীর কর্তব্য হইবে উক্ত আইনের ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী প্রণীত ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড এবং অডিটিং স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে প্রস্ত্ততকৃত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি উপস্থাপন করা।
(১খ) বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর রেজিস্ট্রার ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন, ২০১৫ এর ধারা ২(৮) এ সংজ্ঞায়িত ‘জনস্বার্থ সংস্থা’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপস্থাপিত আর্থিক বিবরণী বা অনুরূপ বিবরণী বা প্রতিবেদন গ্রহণ করিবেন না, যদি না উহা তালিকাভুক্ত নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ উপস্থাপিত হয়।]
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্সসীট, লাভ-ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন-
(ক) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বা প্রধান কর্মকর্তা এবং উহার পরিচালকের সংখ্যা তিনজনের বেশী হইলে, অন্যুন তিনজন পরিচালক, এবং তিনজন হইলে, সকল পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে;
(খ) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার বাংলাদেশস্থ প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি এবং উক্ত ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি হইতে পরবর্তী নীচের অন্য একজন কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে৷
(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্সশীট, এবং লাভ-ত্মগতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ফরমটি কোম্পানী আইনের ১৬৫[ তফসিল-১১] হইতে ভিন্নতর হওয়া সত্বেও, উক্ত ব্যালেন্সশীট, লাভ-ক্ষতির হিসাব ও আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, উক্ত আইনের বিধানাবলীর ততটুকু প্রযোজ্য হইবে যতটুকু এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সংগতিপূর্ণ হয়৷
(৪) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম তফসিলের ১৬৬[ ফরম ও নির্দেশনাসমূহ] সংশোধন করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ সংশোধনের অন্যুন তিন মাস পূর্বে উক্তরূপ সংশোধনের ইচ্ছা প্রকাশ করিয়া সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারী করিতে হইবে৷
১৬৭[ ***]
নিরীক্ষা
৩৯৷ (১) Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973 (P. O. No. 2 of 1973) বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইন অনুসারে কোম্পানীর অডিটর হওয়ার যোগ্য যে কোন ব্যক্তি ব্যাংক-কোম্পানী নিরীক্ষণের জন্য যোগ্য বলিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হইলে, ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্তুতকৃত ব্যালেন্সশীট অনুসারে ব্যাংক কোম্পানীর লাভ ও ক্ষতির হিসাব ও আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করিতে পারিবে৷
(২) কোম্পানী আইনের ১৬৮[ ধারা ২১৩] এর দ্বারা কোম্পানীর অডিটরদের উপর যে ক্ষমতা, দায়িত্ব, দায় ও শাস্ত্মি অর্পণ বা আরোপ করা হইয়াছে সেই ক্ষমতা, দায়িত্ব দায় ও শাস্তি উপ-ধারা (১)এ উল্লিখিত নিরীক্ষকের উপর বর্ণিত ও আরোপিত থাকিবে৷
(৩) কোম্পানী আইনের অধীন প্রয়োজনীয় বিষয়াবলী ছাড়াও কোন নিরীক্ষক তাঁহার প্রতিবেদনে নিম্নবর্ণিত বিষয়াবলী উল্রেখ করিবেন, যথা :-
(ক) আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানীর আর্থিক অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট সময়ের লাভ-ক্ষতি সঠিকভাবে প্রতিফলিত হইয়াছে কিনা;
(খ) আর্থিক প্রতিবেদন সাধারণ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হইয়াছে কিনা;
(গ) আর্থিক প্রতিবেদন প্রচলিত বিধি ও আইন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত হিসাব সংক্রান্ত্ম নিয়মকানুন মোতাবেক প্রণীত হইয়াছে কিনা;
(ঘ) যে সকল অগ্রিম এবং অন্যান্য সম্পদ আদায় সম্পর্কে সন্দেহ রহিয়াছে সেইগুলির জন্য পর্যাপ্ত সংস্থান রাখা হইয়াছে কিনা;
১৬৯[ (ঘঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় যে পরিমাণ নির্ধারণ ১৭০[ করা হয়] সেই পরিমাণের অধিক টাকায় অগ্রিম বা ঋণের পরিশোধ সন্তোজনক কিনা;]
১৭১[ (ঙ) আর্থিক প্রতিবেদন দেশে প্রচলিত বিধিবিধান ও হিসাবমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্দেশিত হিসাবমান অনুযায়ী নির্ধারিত মানসম্পন্ন হইয়াছে কিনা;]
(চ) ব্যাংক-কোম্পানীর শাখা অফিসগুলি কর্তৃক প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র এবং হিসাবসমূহ সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও একত্রীভূত করা হইয়াছে কিনা;
(ছ) নিরীক্ষক কর্তৃক প্রার্থীত তথ্যাদি এবং ব্যাখ্যা সন্ত্মোষজনক হইয়াছে কিনা;
১৭২[ (ছছ)অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কাজের জন্য অনুসৃত পদ্ধতির পর্যাপ্ততা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংস্কারের সুপারিশ;
(ছছছ) ব্যাংক-কোম্পানী কিংবা উহার কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক সংঘটিত যে কোন জালিয়াতি, বা কোন অনিয়ম, বা প্রশাসনিক কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি বা ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য ক্ষতিকর কোন কিছু পরিলক্ষিত হইলে তাহা;
(ছছছছ) ব্যাংক-কোম্পানীর সাবসিডিয়ারীর ক্ষেত্রে ঐ সকল সাবসিডিয়ারী কোম্পানী নিরীক্ষিত হইয়াছে কি না ও তাহার হিসাব সঠিকভাবে একত্রীভূত করতঃ ব্যাংক-কোম্পানীর আর্থিক প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে কি না;]
(জ) অন্য এমন সব বিষয় যাহা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডারদের গোচরীভূত করা উচিত বলিয়া নিরীক্ষক মনে করেন৷
(৪) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় যদি কোন নিরীক্ষক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-
(ক) এই আইনের কোন বিধান গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হইয়াছে বা উহা পালনে গুরুতর অনিয়ম ঘটিয়াছে;
(খ) প্রতারণা বা অসততার দরুণ ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে;
(গ) লোকসানের দরুণ ১৭৩[ ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুযায়ী সংরক্ষিত মূলধন আবশ্যক মূলধনের] পঞ্চাশ শতাংশের নীচে নামিয়া গিয়াছে;
(ঘ) পাওনাদারদের পাওনা প্রদানের নিশ্চয়তা বিঘ্নিত হওয়াসহ অন্য কোন গুরুতর অনিয়ম ঘটিয়াছে; অথবা
(ঙ) পাওনাদারগণের পাওনা মিটাইবার জন্য কোম্পানীর সম্পদ যথেষ্ট কি না সে সম্পর্কে সন্দেহ রহিয়াছে;
তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে উক্ত বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক-কে অবহিত করিবেন৷
১৭৪[ (৫) কোম্পানী আইন বা অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা মোতাবেক ব্যাংক-কোম্পানীতে নিয়োজিত কোন নিরীক্ষক উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিষয়, বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত বিষয়, ব্যতীত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীতে অন্য কোন প্রকার কর্মকান্ড বা সেবা প্রদানে লিপ্ত হইতে পারিবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা ব্যাংকের কোন এজেন্ট বা কোন প্রতিনিধি এবং ব্যাংকের সহিত আমানত ব্যতীত অন্য কোনরূপ স্বার্থের সংশ্লেষ রহিয়াছে এমন ব্যক্তি ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষক বা নিরীক্ষকদলের কোন সদস্য হইতে পারিবেন না।
(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক এতদুদ্দেশ্যে বিধান জারী করিয়া একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর নিরীক্ষকগণের পালাবদল বাধ্যতামূলক করিতে পারিবে।]
বিশেষ নিরীক্ষা
১৭৫[ ৩৯ক৷ (১) ধারা ৩৯ এর অধীন নিরীক্ষা বা ধারা ৪৪ এর অধীন পরিদর্শন প্রতিবেদন বিবেচনা করিয়া বা অন্য কোনভাবে প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী বা কার্যাবলীর বিশেষ কোন অংশ নিরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক ধারা ৩৯(১) এ উল্লিখিত ব্যক্তি দ্বারা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী বা কার্যাবলীর অংশ বিশেষ নিরীক্ষা করাইতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন বিশেষ নিরীক্ষার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করিবেন৷]
নিরীক্ষককে অযোগ্য ঘোষণা
১৭৬[ ৩৯খ৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যাংক কোম্পানীর নিরীক্ষা কাজে নিয়োজিত কোন নিরীক্ষক তাঁহার দায়িত্ব পালনে অবহেলা করিয়াছেন বা তাঁহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইয়াছেন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে গঠিত কমিটির তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে উক্ত নিরীক্ষককে বাংলাদেশ ব্যাংক, অনধিক দুই বত্সরের জন্য, কোন ব্যাংক কোম্পানী নিরীক্ষার অযোগ্য ঘোষণা করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ঘোষণা প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষককে কারণ দর্শানোর যুক্তিসংগত সুযোগ দিতে হইবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন ঘোষণার ফলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এর নিকট, উপ-ধারা (১) এর অধীন ঘোষণার আদেশ প্রদানের পনর দিনের মধ্যে, আপীল পেশ করিতে পারিবে এবং এই ব্যাপারে উক্ত পর্ষদের সিদ্ধান্ত্মই চূড়ান্ত্ম হইবে৷]
বিবরণী দাখিল
৪০৷ ধারা ৩৮ এ উল্লিখিত হিসাব, ব্যালেন্সশীট ও প্রতিবেদন এবং পরিচালক-পর্ষদ কর্তৃক, বা ক্ষেত্রমত, কোম্পানীর সাধারণ সভায় শেয়ার হোল্ডার কর্তৃক অনুমোদিত নিরীক্ষা প্রতিবেদন নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হইবে এবং উক্ত হিসাব, ব্যালেন্সশীট, ও প্রতিবেদন যে সময় সম্পর্কিত সেই সময় শেষ হইবার ১৭৭[ দুই] মাসের মধ্যে উহাদের প্রতিটির তিনটি করিয়া প্রতিলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিবরণী দাখিলের উক্ত সময়সীমা অনধিক ১৭৮[ দুই] মাস পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে৷
রেজিষ্ট্রারের নিকট ব্যালেন্সশীট ইত্যাদি প্রেরণ
৪১৷ ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে কোন ব্যাংক-কোম্পানী কোন বত্সরে ইহার আর্থিক প্রতিবেদন, লাভ-ক্ষতির হিসাব, ব্যালেন্সশীট এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করিলে, যদি ইহা প্রাইভেট কোম্পানী হইয়া থাকে তাহা হইলে, উক্ত ব্যালেন্সশীট, হিসাব ও প্রতিবেদনের তিনটি করিয়া অনুলিপি একই সংগে রেজিষ্ট্রারের নিকটেও প্রেরণ করা যাইতে পারিবে, এবং অনুরূপ অনুলিপি প্রেরিত হইলে, কোম্পানী আইনের উক্ত ১৭৯[ ধারা ১৯০] এর বিধান মোতাবেক উক্ত কোম্পানী কর্তৃক উক্ত ব্যালেন্সশীট, হিসাব ও প্রতিবেদনের অনুলিপি রেজিষ্ট্রারের নিকট পুনরায় প্রেরণের প্রয়োজন হইবে না, এবং উক্ত অনুলিপিগুলির উপর উক্ত ১৮০[ ধারা] অনুযায়ী ফিস প্রদেয় হইবে এবং অন্য সকল বিষয়েও উক্ত ১৮১[ ধারা] এর অধীন অনুলিপি দাখিল করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷
বাংলাদেশে কার্যরত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক নিরীক্ষীত ব্যালেন্সশীট প্রদর্শন
১৮২[ ৪২। বাংলাদেশে কার্যরত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্ত্ততকৃত ইহার সর্বশেষ ব্যালেন্সশীট এবং লাভক্ষতির হিসাব ব্যাংকের আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য ব্যবহারকারীগণ ব্যাংক সম্পর্কে যাহাতে সহজে তথ্য লাভ করিতে পারেন সেই জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিলের এক সপ্তাহের মধ্যে বহুল প্রচারিত একটি জাতীয় বাংলা দৈনিক ও একটি ইংরেজী দৈনিক পত্রিকায় প্রচার ও ব্যাংকের ওয়েবসাইটে উক্ত বিবরণী প্রকাশ করিতে হইবে এবং উক্তরূপ প্রকাশ উহার পরবর্তী ব্যালেন্সশীট ও হিসাব একইভাবে প্রকশিত না হওয়া পর্যন্ত উহা অব্যাহত থাকিবে।]
হিসাব সংক্রান্ত বিধানাবলীর ভবিষ্যাপেক্ষতা
৪৩৷ এই আইন প্রবর্তিত হওয়ার পূর্বে যে হিসাব-বর্ষ সমাপ্ত হইয়াছে উহার ব্যাপারে এই আইনের কোন কিছুই কোন ব্যাংক-কোম্পানীর হিসাব প্রস্তুত ও নিরীক্ষা এবং হিসাব বা নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ইহা প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বিদ্যমান আইন অনুসারে উক্ত হিসাব প্রস্তুত ও নিরীক্ষা করা হইবে এবং হিসাব ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করা হইবে৷
পরিদর্শন
৪৪৷ (১) কোম্পানী আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান থাকা সত্বেও, বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোন সময়ে উহার এক বা একাধিক কর্মকর্তার দ্বারা কোন ব্যাংক-কোম্পানী ও উহার খাতাপত্র এবং হিসাব পরিদর্শন করিতে পারিবে এবং ১৮৩[ ***] এবং এইরূপ পরিদর্শন সমাপ্তির পর বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত পরিদর্শনের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবরাহ করিবে৷
(২) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ বিধান থাকা সত্বেও, এবং উপ-ধারা (১) এর বিধান ক্ষুণ্ন না করিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোন সময় ইহার এক বা একাধিক কর্মকর্তা দ্বারা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর খাতাপত্র ও হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করাইতে পারিবে এবং ১৮৪[ বাংলাদেশ ব্যাংক আবশ্যক মনে করিলে উক্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রস্ত্ততকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবরাহ করিত পারিবে] ৷
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শনকার্য বা উপ-ধারা (২) এর অধীন পরীক্ষাকার্য পরিচালনাকারী ব্যক্তির চাহিদা মোতাবেক ও তত্কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর খাতাপত্র, হিসাব বা অন্যান্য দলিল দাখিল করা এবং উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী সম্পর্কে কোন বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করা উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা বহিরাগত নিরীক্ষকের দায়িত্ব হইবে৷
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিদর্শনকার্য বা উপ-ধারা (২) এর অধীন পরীক্ষাকার্য পরিচালনাকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীর যে কোন পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা ইহার বহিরাগত নিরীক্ষককে শপথ পাঠ করাইয়া উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিষয়াবলী সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন৷
১৮৫[ (৫) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধারার অধীন কোন পরিদর্শন বা পরীক্ষাকার্য সম্পন্ন করার পর উক্ত প্রতিবেদন বিবেচনান্তে যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী উহার আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী পদ্ধতিতে পরিচালিত হইতেছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, লিখিত আদেশ দ্বারা-
(ক) উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ করিতে পারিবে;
(খ) ধারা ৬৪ এর উপ-ধারা (৪) এর অধীন উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর অবসায়নের উদ্দেশ্যে আবেদন দাখিল করিতে পারিবে;
(গ) আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক যেইরূপ সংগত মনে করে সেইরূপ আদেশ প্রদান কিংবা কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।]
১৮৬[ (৬) বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে যুক্তিসংগত নোটিশ প্রদানের পর, তৎকর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত প্রতিবেদন বা উহার অংশ বিশেষ প্রকাশ করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘ব্যাংক-কোম্পানী’’ বলিতে-
(ক) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে অবস্থিত উহার সকল শাখাকে বুঝাইবে; এবং
(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের ভিতরে বা বাহিরে অবস্থিত উহার সকল শাখা ও সাবসিডিয়ারী কোম্পানীকে বুঝাইবে।]
ব্যাখ্যা৷- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “ব্যাংক-কোম্পানী” বলিতে-
(ক) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে অবস্থিত উহার সকল শাখাকে বুঝাইবে; এবং
(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের বাহিরে উহার সকল (সাবসিডিয়ারী ব্যাংক-কোম্পানী এবং বাংলাদেশের ভিতরে বা বাহিরে অবস্থিত উহার সকল) শাখাকে বুঝাইবে৷
(৭) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী দাবী করে যে, কোন আদালত, বা বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যতীত, অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তলবকৃত কোন বিবরণ বা তথ্য এমন গোপনীয় যে উহাদের হস্ত্মান্ত্মর বা প্রকাশের মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে তথ্য প্রকাশ হইয়া পড়িবে, তাহা হইলে সেই ব্যাংক-কোম্পানী কোন আদালত বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত না হওয়া পর্যন্ত্ম উক্ত বিবরণ প্রদান করিতে বা তথ্য প্রকাশ করিতে বাধ্য থাকিবে না, যথা :-
(অ) প্রকাশিত ব্যালেন্সশীটে প্রদর্শিত হয় নাই এইরূপ সংরক্ষিত তহবিল; বা
(আ) আদায়যোগ্য নহে বা আদায়যোগ্যতা সম্পর্কে সন্দেহ আছে এমন ঋণ যাহা উহাতে প্রদর্শিত হয় নাই৷
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ দানের ক্ষমতা
৪৫৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,-
(ক) জনস্বার্থে, বা
(খ) মুদ্রানীতি এবং ব্যাংক-নীতির উন্নতি বিধানের জন্য, বা
(গ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী বা ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থের পত্মেগ ত্মগতিকর কার্যকলাপ প্রতিরোধ করার জন্য; বা
(ঘ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য,
সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে, অথবা বিশেষ কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ প্রদান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ নির্দেশ জারী করিতে পারিবে; এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত নির্দেশ পালন করিতে বাধ্য থাকিবে৷
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক স্বেচ্ছায় অথবা উহার নিকট পেশকৃত কোন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশ বাতিল বা পরিবর্তন করিতে পারিবে; এবং এইরূপ বাতিলকরণ বা পরিবর্তন শর্তসাপেক্ষে হইতে পারিবে৷
১৮৭[ (৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধানাবলী সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হইবে।]
ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ইত্যাদির অপসারণের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা
৪৬৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা কোন পরিচালক বা ১৮৮[ প্রধান নির্বাহী কর্তৃক] , কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার ১৮৯[ আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর] কার্যকলাপ রোধকল্পে বা জনস্বার্থে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লত্মেগ্য, উক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীকে, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, অপসারণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, আদেশের মাধ্যমে, উক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক, প্রধান নির্বাহীকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন আদেশ প্রদানের পূর্বে যাহার বিরম্্নদ্ধে উক্ত আদেশ প্রদান করা হইবে তাঁহাকে উহার বিরম্্নদ্ধে কারণ প্রদর্শনের জন্য যুক্তিসংগত সুযোগ দিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, অনুরূপ সুযোগ প্রদানজনিত বিলম্ব উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার আমানতকারী বা জনস্বার্থে ত্মগতিকর হইবে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উপরোক্ত সুযোগ প্রদানের
সময়ে বা উহার পরে যে কোন সময় বা উক্ত উপ-ধারার অধীন কোন কারণ প্রদর্শিত হইয়া থাকিলে, তাহা বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায়, লিখিত আদেশের মাধ্যমে, নির্দেশ দিতে পারে যে,-
(ক) উক্ত চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী উক্ত লিখিত আদেশ কার্যকর হইবার তারিখ হইতে চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী হিসাবে কার্য করিবেন না, বা কোম্পানীর ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যত্মগ বা পরোত্মগভাবে, অংশগ্রহণ করিবেন না; এবং
(খ) বাংলাদেশ ব্যাংক এতদুদ্দেশ্যে যে ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে নিযুক্ত করিবে সেই ব্যক্তি উক্ত কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা, ত্মেগত্রমত, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী হিসাবে কার্য করিবেন৷
(৩) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী উপ-ধারা (১) এর অধীন অপসারিত হন তাহা হইলে তিনি উক্ত কোম্পানীর চেয়ারম্যান বা, ত্মেগত্রমত, পরিচালক, প্রধান নির্বাহী পদে বহাল থাকিবেন না, এবং উক্ত আদেশে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য যাহা তিন বত্সরের বেশী হইবে না, তিনি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনায়, প্রত্যত্মগ বা পরোত্মগভাবে, সংযুক্ত হইবেন না বা অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না৷
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী,-
(ক) তাঁহার নিযুক্তি-পত্রে নির্ধারিত শর্তাধীনে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সন্তুষ্টি সাপেত্মেগ এবং তত্কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত্ম, যাহা এক বত্সরের বেশী হইবে না, উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন; এবং
(খ) তাঁহার পদের দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে কৃত কোন কিছুর জন্য আর্থিকভাবে বা অন্য কোনভাবে দায়ী হইবেন না৷
(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীনে অপসারিত কোন ব্যক্তি উক্তরূপ অপসারণের কারণে কোন ত্মগতিপূরণ দাবী করিতে পারিবেন না৷
১৯০[ (৬) সরকার কর্তৃক মনোনীত বা নিযুক্ত ১৯১[ কোন চেয়ারম্যান বা পরিচালক], যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এর ক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, ১৯২[ উক্তরূপ চেয়ারম্যান বা পরিচালকের] আচরণ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের নিকট কোন প্রতিবেদন পেশ করিলে সরকার উহা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করিবে৷]
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ বাতিল করার ক্ষমতা
৪৭৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,-
(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, ১৯৩[ এর] কার্যকলাপ উহার বা উহার আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর; বা
(খ) ধারা ৪৬(১) এ উলিস্্নখিত যে কোন বা সকল কারণে, উক্ত পর্ষদ বাতিল করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, আদেশ দ্বারা উক্ত পর্ষদ বাতিল করিতে পারিবে; এবং উক্ত আদেশে উলিস্্নখিত তারিখ হইতে উক্ত বাতিল আদেশ কার্যকর হইবে এবং উক্ত আদেশে যে মেয়াদের উলেস্্নখ থাকিবে সেই মেয়াদ পর্যন্ত্ম আদেশটি বলবত্ থাকিবে৷
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত আদেশের মেয়াদ সময় সময় বর্ধিত করিতে পারে, তবে বর্ধিত মেয়াদসহ উক্ত মেয়াদ দুই বত্সরের বেশী হইবে না৷
(৩) পরিচালক-পর্ষদ বাতিল থাকার সময়কালে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে সময় সময় নিযুক্ত ব্যক্তি পর্ষদের যাবতীয় ত্মগমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে৷
(৪) ধারা ৪৬ এর উপ-ধারা (২), (৩), (৪) ও (৫) এর বিধানসমূহ উহাতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশের ব্যাপারে প্রযোজ্য হইবে৷
১৯৪[ (৫) উপ-ধারার (৩) এর বিধানাবলী সত্বেও উক্তরূপ নিয়োজিত কোন ব্যক্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে বিধানাবলী জারী করিতে পারিবেঃ
(ক) উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রয়োগযোগ্য ক্ষমতার সীমা;
(খ) উক্ত ব্যক্তির কাজের সহিত সম্পর্কিত ব্যয়ের বিষয়;
(গ) উক্ত ব্যক্তির নিয়োগ বাতিল;
(ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি উক্ত ব্যক্তির দায়বদ্ধতা; এবং
(ঙ) সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্মের জন্য উক্ত ব্যক্তির দায়-মুক্তি।]
সীমাবদ্ধতা
৪৮৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ধারা ৪৬ অথবা ৪৭ এর অধীনে কোন আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন না :
তবে শর্ত থাকে যে, এতদুদ্দেশ্যে ১৯৫[ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক] গঠিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে গভর্ণর উপরোক্ত আদেশ প্রদান করিবেন৷
(২) ধারা ৪৬ অথবা ৪৭ এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের কোন আদেশের ফলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবে এবং এই ব্যাপারে উক্ত পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে৷
(৩) এই ধারা বা ধারা ৪৬ বা ৪৭ এর অধীন গৃহীত কোন ব্যবস্থা, আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার প্রশ্ন উত্থাপন করিতে পারিবে না এবং অনুরূপ কোন ব্যবস্থা, আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের সমক্ষে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধিকতর ক্ষমতা ও কার্যাবলী
৪৯৷ (১) বাংলাদেশ ব্যাংক,-
(ক) সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে কোন নির্দিষ্ট বা বিশেষ শ্রেণীর লেনদেনে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক বা নিষেধ করিতে পারিবে;
(খ) সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে উহাদের বা উহার ১৯৬[ ব্যবসা] সংক্রান্ত্ম কোন বিশেষ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করার জন্য বা করার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(গ) সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী সমূহের অনুরোধক্রমে এবং ধারা ১৯৭[ ৭৫] এর বিধান সাপেক্ষে, উহাদের একত্রীকরণের প্রস্ত্মাবে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে বা অন্য কোনভাবে সহায়তা প্রদান করিতে পারিবে;
(ঘ) ধারা ৪৪ এর অধীন কোন পরিদর্শন চলাকালে বা উহা সমাপ্ত হইবার পর, লিখিত আদেশ দ্বারা এবং উহাতে উল্লিখিত শর্তাধীনে,-
(অ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বিষয়াবলী বা উহা হইতে উদ্ভূত কোন বিষয় বিবেচনার জন্য উহার পরিচালকগণের সভা আহবান করিতে বা অনুরূপ কোন বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তার সহিত আলোচনা করিতে উহার যে কোন কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(আ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ, বা উহার কোন কমিটি বা ব্যক্তিসংঘের সভার কার্যধারা পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত কর্মকর্তাকে উক্ত সভায় বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য ব্যাংক-কোম্পানীকে, এবং উক্ত সভার কার্যধারার উপরে একটি প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করার জন্য উক্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারিবে;
(ই) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক-পর্ষদ, বা উহার কোন কমিটি বা ব্যক্তিসংঘের যে কোন সভা সংক্রান্ত নোটিশ ও অন্যান্য চিঠিপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট কোন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণের জন্য কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে;
(ঈ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বা উহার কোন শাখার কার্যাবলী কি প্রকারে পরিচালিত হইতেছে তাহা পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উহার কোন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করিতে পারিবে;
(উ) উক্ত পরিদর্শন চলাকালে বা উহা সমাপ্ত হইবার পর উহার দ্বারা উদঘাটিত কোন বিষয়দৃষ্টে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনায় কোন পরিবর্তন প্রয়োজন বলিয়া বিবেচনা করিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে উক্ত পরিবর্তন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারিবে ১৯৮[ ;
(ঙ) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, দেশের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা বা পেমেন্ট সিষ্টেমস্ এর সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে এ সংক্রান্ত যে কোন কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে;
(চ) ঋণ শৃঙ্খলার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানী বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানী বা বিশেষ শ্রেণীর ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য ঋণ শ্রেণীকরণ ও সঞ্চিতি সংরক্ষণ, ঋণ মওকুফ, পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিষয়সমূহে বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণীয় নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।]
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার গতি ও উন্নতি বিধানকল্পে উহার কার্যাবলী সম্পর্কে সরকারের নিকট একটি বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনে ব্যাংক-ব্যবসাকে সমগ্র দেশে জোরদার করার জন্য গ্রহণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে পরামর্শ থাকিবে৷
কতিপয় ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে কতিপয় বিধান প্রযোজ্য হইবে না
৫০৷ (১) ধারা ১৩, ১৪(১), ২৪, ২৫, ৩৩ এবং ৩৪ এর বিধানাবলী নিম্্নবর্ণিত ব্যাংক-কোম্পানীসমূহের ত্মেগত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথা
(ক) ধারা ৩১ এর অধীন যে কোম্পানীর লাইসেন্সের আবেদন প্রত্যাখ্যান বা লাইসেন্স বাতিল করা হইয়াছে;
(খ) কোন আদালত কর্তৃক অনুমোদিত আপোষ মীমাংসা, ব্যবস্থা বা স্কীম দ্বারা, বা তত্সম্পর্কিত কার্যধারায় প্রদত্ত কোন আদেশ দ্বারা যে কোম্পানী কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ হইয়াছে;
(গ) মেমোরেন্ডাম অব এ্যাসোসিয়েশনে কোন পরিবর্তনের ফলে যে কোম্পানী কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ হইয়াছে৷
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উপ-ধারা (১) এ উলিস্্নখিত কোন ব্যাংক-কোম্পানী তত্কর্তৃক গৃহীত আমানত সম্পূর্ণভাবে অথবা উহার পত্মেগ সম্ভবপর সর্বোচ্চ পরিমাণে পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়াছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা, উক্ত কোম্পানী এই আইনের ব্যবহৃত অর্থে ব্যাংক-কোম্পানী নহে বলিয়া ঘোষণা করিতে পারিবে এবং এইরূপ ঘোষণার পর হইতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর ত্মেগত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে উক্ত কোম্পানী কর্তৃক সম্পাদিত ও সম্পাদনীয় কোন কিছুর ক্ষেত্রে উক্ত ঘোষণা কার্যকর হইবে না৷

চলবে——

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *